ঝক্কি ছাড়াই ৯০% কারখানার বেতন পরিশোধ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, (২৬ মার্চ), ২০২৫, আপডেট ০১:০৫
ঈদুল ফিতরের আগে ঢাকা ও গাজীপুরের ৯০ শতাংশ পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন ও উৎসব ভাতা পরিশোধ করেছেন উদ্যোক্তারা।
ফলে বকেয়া বেতন ও ভাতা পরিশোধে অনিশ্চয়তার কারণে নিকট অতীতেও পোশাক খাতের শ্রমিকদের আন্দোলনে নামা ও সহিংসতার যে ঘটনা দেখা গেছে এবার তা এবার হয়নি।
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের বড় সংগঠন বিজিএমইএ প্রশাসক আনোয়ার হোসেন বলেন, ৯০ শতাংশের বেশি কারখানার সব রকমের পাওনা পরিশোধ করা হয়ে গেছে। চলতি মার্চের বেতনের একাংশও কারখানা মালিকরা পরিশোধ করে ছুটি ঘোষণা করবেন। এখনো কোথাও বেতন-ভাতা নিয়ে সেরকম দাব-দাওয়া শুরু হয়নি। তা হলে (আন্দোলন) তো গাজীপুরেই হত।
নির্বিঘ্নে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ কীভাবে সম্ভব হল সে কারণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এবার বড় কয়েকটি কারখানা ছাড়া বেশিরভাগেরই আর্থিক কোনো সমস্যা নেই। যাদের আর্থিক সমস্যা ছিল, সেগুলো আমরা খোঁজ-খবর নিয়ে দ্রুত গতিতে ব্যাংক অর্থায়নের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রকৃত সমস্যাগ্রস্তদের বেলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে দ্রুততার সঙ্গে।
ঈদুল ফিতরের আগে সরকারের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন ভাতা পরিশোধ না করায় ১২টি তৈরি পোশাক কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
কারখানা উদ্যোক্তা ও সরকারের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগের শেষ কর্মদিবসে শ্রমিকদের একাংশ চলতি মার্চ মাসের আংশিক বেতন আগাম নিয়ে বাড়ি ফেরা শুরু করবেন।
তারা বলেছেন, ঈদের আগে শ্রম অসন্তোষ যেন তৈরি না হয়, সেজন্য বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করতে আগের বছরের চেয়ে উদ্যোক্তাদের তিনগুণ বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে সরকার। এ কারণে বেতন-ভাতা নিয়ে এবার আন্দোলনে যেতে হয়নি প্রায় সবগুলো কারখানার শ্রমিকদের।
ইউডি/এবি

