মূল্যস্ফীতি কমে ৯.১৭ শতাংশ, ২৬ মাসের সর্বনিম্ন
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (০৫ মে), ২০২৫, আপডেট ২২:৩০
সদ্য শেষ হওয়া এপ্রিল মাসে শহর ও গ্রামীণ পর্যায়ে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উভয় খাতেই ‘খরচ কমার’ তথ্য দিয়েছে সরকার।
সোমবার (০৫ মে) প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ তথ্য বলছে, এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
গতবছর এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। আর এ বছরের মার্চে ছিল ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
৯ দশমিক ১৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতির মানে হল, ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের এপ্রিল কিনতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ১৭ পয়সা।
এপ্রিলের মূল্যস্ফীতির এই হার গত ২৬ মাসের সর্বনিম্ন। মূল্যস্ফীতির হার এর চেয়ে কম ছিল সবশেষ ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি অনেকটা কমার তথ্য দিয়েছিল সরকার, তবে তখন কেবল খাদ্য খাতেই কমেছিল মূল্যস্ফীতি।
গত অর্থবছরের শেষ মাস তথা জুনের পর এবারই গ্রামীণ ও শহর পর্যায়ে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি একই সঙ্গে কমার তথ্য এল।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকেই চড়তে থাকে মূল্যস্ফীতির হার। এরপর তা আর ৯ শতাংশের নিচে নামেনি। ২০২৪ সালে আন্দোলনের মাস জুলাইয়ে তা ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে পৌঁছায়।
এ বছরের শুরুর মাস জানুয়ারিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার এক অঙ্কের ঘরে নেমে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ হয়; ফেব্রুয়ারিতে এসে তা আরও কমে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৩২ শতাংশে। মার্চে তা আবার সামান্য বাড়ার পর এবার খানিকটা কমার তথ্য দিল পরিসংখ্যান ব্যুরো।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, সার্বিক মূল্যস্ফীতি মাসের ব্যবধানে কমে যাওয়ার কারণ খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে নিম্নমুখী মূল্যস্ফীতি। শহর ও গ্রামে একই চিত্র মিলেছে।
ইউডি/এবি

