পল্লী বিদ্যুতের আন্দোলনকারীদের কড়া বার্তা সরকারের
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (২৭ মে) ২০২৫, আপডেট ২৩:২০
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চলমান আন্দোলনকে ‘দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা’ হিসেবে দেখছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এই আন্দোলনের সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ‘নিবেদিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের কোনো সম্পর্ক নেই’ দাবি করে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলন প্রত্যাহার করে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ মে) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সরকার গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে, ‘পল্লী বিদ্যুৎ সংস্কার’ বিষয়টিকে অজুহাত হিসেবে সামনে এনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কিছু কর্মচারী দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন যা অভিপ্রেত নয়।
“তথাকথিত ‘বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ এসোসিয়েশন’ নামক অনিবন্ধিত একটি সংগঠনের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সরকারের গোচরীভূত হয়েছে। এরূপ সংগঠন বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কোন বৈধ সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে না। দেশব্যাপী নিয়োজিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিবেদিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে এ আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই।”
সরকারি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এসব সমিতির কয়েক হাজার কর্মী চাকরিবিধি বাস্তবায়ন, হয়রানি বন্ধ, মামলা প্রত্যাহারসহ সাত দফা দাবিতে গত সাত দিন ধরে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করে আসছেন।
তাদের দাবি, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় দমন-পীড়নের মাধ্যমে কর্মপরিবেশ অস্থিতিশীলকারী ও অত্যাচারী’ আরইবি চেয়ারম্যানকে অতি দ্রুত অপসারণ করতে হবে।
গত বছরের অক্টোবরে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। তাতে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিলেন ওই সব এলাকার গ্রাহকরা।
এবার তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখে কর্মসূচি পালন করলেও বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গ্রাহকসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।
ইউডি/এবি

