তাজউদ্দীন আহমদ কলেজের নাম বদল, যা বললেন সোহেল তাজ

তাজউদ্দীন আহমদ কলেজের নাম বদল, যা বললেন সোহেল তাজ

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, আপডেট ১৫:২০

শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা দেশের ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। নাম পরিবর্তন হওয়া কলেজগুলোর একটি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়ার ‘সরকারি শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ’। এ কলেজটির নাম বদলে রাখা হয়েছে ‘কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ’।

এ বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ। সোহেল তাজ লিখেছেন— ব্যক্তিগত ভাবে আমার কিছু বলার নাই। কারণ, আমার বাবা এবং মা এই দেশ এবং এই দেশের মানুষকে অনেক ভালোবাসতেন। আর তাই এই দেশের জন্য অনেক ত্যাগ করেছেন। কিছু পাওয়ার জন্য না। তাই ওনাদের কর্মের স্বীকৃতি এই দেশ কোনোদিন যদি নাও দেয়, ইটস ওকে। বাংলাদেশ ভালো থাকলেই হল।

এ ছাড়া পোস্টে তিনি এই কলেজের একজন প্রাক্তন ছাত্রের অনুভূতিও যুক্ত করেছেন। যেখানে লেখা হয়েছে — ‘শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ আমাদের কাপাসিয়ার গর্ব ও অহংকার এর নাম। বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ সাহেবের পরিবার এবং বিগ্রেডিয়ার হান্নান শাহ্ সাহেবের পরিবার এটা আমাদের কাপাসিয়ার ঐতিহ্য। আজ ৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে তালিকার ৩৬ নম্বর কলেজের নামটি ‘সরকারি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ’ এই নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম ঠিক করা হয়েছে, ‘কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ’।

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বুঝার সুবিধার্থে জানিয়ে রাখি কলেজটি অবস্থিত গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়নের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আহমদ এর গ্রামে বাড়ি দরদরিয়া থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে হাইলজোর গ্রামে।

কলেজটি যখন সরকারিকরণ করা হয় তারও আরো অনেক আগে থেকেই সকলের এই কলেজের নামকরণ করা হয় ‘শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ডিগ্রি কলেজ’ এবং এই নামেই কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়, যার আগে নাম ছিল ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজ হাইলজোর। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হওয়ার ৯ মাসের মাথায় দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর নাম বাদ দিয়ে নতুন নাম দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে বর্তমান সরকার। যার ফলে আমরা এখন নতুন নাম পেয়েছি ‘কাপাসিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজ’।

ওই পোস্টে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের জন্য প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে। ইতিহাস, আবেগ, ও গৌরবকে এমনভাবে মুছে ফেলা কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading