হামজাদের ম্যাচ দেখতে জাতীয় স্টেডিয়ামে দর্শকদের ঢল
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (১০ জুন), ২০২৫, আপডেট, ২১:২০
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ সন্ধ্যা ৭টায়; কিন্তু ম্যাচ শুরুর ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা আগেই ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামমুখি জনতার ঢল নামে। স্টেডিয়ামের চারপাশে প্রবেশপথগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করে। স্টেডিয়ামের গেট খোলার আগেই হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী সেখানে উপস্থিত হয়ে স্টেডিয়ামের প্রবেশপথে লম্বা সারি তৈরি করেন।
বাফুফে ঘোষণা করেছিল, বেলা ২টায় স্টেডিয়ামের গেট খুলবে। কিন্তু তাও স্টেডিয়ামের বাইরে ভক্তদের জমায়েত ছিল ঘণ্টার পর ঘণ্টা। গেট খুলে দেওয়ার পর ভক্তরা গ্যালারিতে প্রবেশ করতে শুরু করেন, এবং এক ঘণ্টার মধ্যে গ্যালারির অর্ধেক আসন পূর্ণ হয়ে যায়। প্রখর রোদে বসে তারা ম্যাচের অপেক্ষায় ছিলেন। বিকাল ৪টার দিকে আকস্মিক বৃষ্টি হয় এক পশলা। এতে যারা গ্যালারিতে প্রবেশের লাইনে ছিলেন তারা পুরোপুরি ভিজে গেছেন। বিকাল ৫টার পর দর্শকদের জন্য কনসার্টের ব্যবস্থাও ছিল। যেখানে গান গেয়ে শুনিয়েছেন জেফার রহমান।
বাংলাদেশের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কেউ বাংলাদেশের পতাকা হাতে, কেউ মাথায় পতাকা বাঁধে স্টেডিয়ামে আসেন। তাদের মধ্যে এক ভক্ত হামজা, শমিত ও ফাহামিদুলের নাম নিয়ে কবিতা লিখে নিয়ে এসেছিলেন—‘হামজা-শামিত-ফাহামিদুল, গোল দিতে করিও না ভুল।’
এছাড়া, দর্শকদের মধ্যে একটি তরুণ হামজা চৌধুরীর হালকা স্টাইল অনুকরণ করে চুল কেটেছিলেন। তারা এমনকি ‘হামজা-শমিত-ফাহামিদুলের ঠিকানা; পদ্মা মেঘনা যমুনা’ লেখা প্ল্যাকার্ডও বহন করেছিলেন।
ইউডি/এবি

