দুর্বৃত্তরা ভেঙ্গে দিলো কোমর-হাত-পা, মামলা করে বিপাকে ছাত্রদল নেতা
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার (২৭ জুন), ২০২৫, আপডেট, ২৩:৪৫
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মোঃ আল-আমিন হোসেন নামের এক ছাত্রদল নেতার হাত-পা, কোমর ভেঙ্গে এবং সাথে সমগ্র শরীর থ্যাঁতলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
তার পরিস্থিতি অনেক আশঙ্কাজনক। বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আছেন।
আহত আলামিন উপজেলার ৬ নং মজিদবাড়ীয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তারাবুনিয়া গ্রামের মৃত কবির হোসেন গোলদারের পুত্র।
আলামিন গোলদার ডিস ব্যবসা ও ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা খলিসাখালী বাজার মসজিদের সামনে নিজেদের বাসায় থাকেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত (২২ জানুয়ারি) রাত ১২টার সময় স্থানীয় আবু খানের ছেলে মোঃ রিয়াজ তাদের বাসায় এসে আলামিনকে ডেকে নিয়ে যায়। কিছু সময় পরে তারা জানতে পারে দক্ষিণ মজিদবাড়িয়া গ্রামের টুকু মিয়ার গাছের স-মিল থেকে পূর্ব দিকে ২০০ ফিট দূরত্বে কাঞ্চন মিয়ার বাড়ির সামনে ভাঙ্গা রাস্তার উপর মুমূর্ষ অবস্থায় আলামিন পড়ে আছে। তাঁর পা দুটো সম্পূর্ণভাবে এবং হাত দুটো গুড়া গুড়া করে ফেলা হয়েছে, কোমরও আংশিকভাবে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে বলে জানান।
আলামিনের বড় ভাই মোঃ সালাউদ্দিন (জুয়েল) এই ঘটনার শোক সইতে না পেরে তিন দিন পর হার্ট স্ট্রোক করে মৃত বরণ করেন।
ভুক্তভোগী, আলামিন গোলদার ও তার পরিবার মিলে মামলা করে দুর্বৃত্তদের নামে, কিন্তু এখন যেন এই মামলা তার পরিবার ও তার জীবনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসামিরা প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নেয়ার জন্য হত্যার হুমকি ও পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে ভয়, ভীতি, ও চাপ প্রয়োগ করে।
এমতাবস্থায়, ভুক্তভোগী আলামিন গোলদার বলেন, মির্জাগঞ্জ থানা আমার মামলার কোন আসামিকে গ্রেফতার করছে না, এবং সুষ্ঠুভাবে তদন্ত ও করছেন না।আমার ভাই কে আমি হারিয়ে ফেলেছি, দুনিয়ায় বড্ড একা আমি। তাই পটুয়াখালী জেলার এসপি মহোদয়, মির্জাগঞ্জ থানা, ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট, আমার জীবন নষ্ট করার নেপথ্যে সকল দুর্বৃত্তদের আইনের নিকট সুষ্ঠু বিচার এর দাবি জনাই।
ইউডি/এবি

