ভারী বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ভারী বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই, ২০২৫, আপডেট ১৪:২০

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পটুয়াখালীতে গত এক সপ্তাহ ধরে টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। তবে বিগত দিনের তুলনায় কিছুটা কমেছে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮.৩ মিলমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে জেলা আবহাওয়া অফিস।

টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন নিচু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের বাসা বাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। ভেসে গেছে অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর। বড় লোকসানে পড়েছেন মৎস্য চাষিরা। পানির নিচে তলিয়ে আছে বীজতলা। ক্ষতির শংকায় রয়েছে বর্ষাকালীন সবজি চাষিরা। এছাড়া পানিতে তলিয়ে আছে পৌর শহরসহ অনেক এলাকার সড়ক। চরম দুর্ভোগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।

এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। তবে বাতাসের চাপ ও নদ-নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়নি।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমলেও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রাসহ দেশের সকল সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাছধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

পটুয়াখালী পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার রিকশা চালক হোসেন মিয়া বলেন, “কয়েকদিন ধরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে। তিনদিন ধরে শহরের অনেক সড়ক পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। তবে আজ থেকে পানির পরিমাণ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। বৃষ্টিতে রিকশা চালানো অনেক কষ্টকর।”

কলাপাড়ার চাকামাইয়া ইউনিয়নের কৃষক রফিক হোসেন বলেন, “প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হচ্ছে। যার কারণে মাঠ ঘাট সব তলিয়ে গেছে। আমার ঘরেও পানি প্রবেশ করেছে। বীজতলা পানিতে তলিয়ে আছে। অনেকে পুকুর ও ঘের তলিয়ে সব মাছ ভেসে গেছে। এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে আমাদের ভোগান্তির কোন শেষ থাকবে না।”

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, “আজ থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading