বারাক ওবামার বিচ্ছেদের গুঞ্জন, যা বললেন তার স্ত্রী

বারাক ওবামার বিচ্ছেদের গুঞ্জন, যা বললেন তার স্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫, আপডেট ০৯:০০

সাবেক নোবেলজয়ী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তার স্ত্রী মিশেল ওবামা তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে চলমান গুজব ও জল্পনার বিষয়ে মুখ খুলেছেন। সদ্য প্রকাশিত একটি পডকাস্টে ওবামা বলেন, একসময় আমাদের সম্পর্ক ‘টাচ অ্যান্ড গো’ ছিল, তবে মিশেল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আমার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার কথা কখনো ভাবিনি।

পডকাস্ট ‘আএমও উইথ মিশেল ওবামা এন্ড ক্রেইগ রবিনসন’-এর এক নতুন পর্বে মিশেল বলেন—আমাদের দাম্পত্য জীবনে কঠিন সময় এসেছে, আবার আনন্দময় মুহূর্তও ছিল। কিন্তু এক মুহূর্তের জন্যও আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবিনি। আমি এখন যেই মানুষ, তা হয়েছি এই পুরুষটির জন্য।

বারাক হেসে বলেন, সে আমাকে আবার গ্রহণ করেছিল! সময়টা কিছুটা টানাপোড়েনের ছিল।

এই প্রথম ওবামা দম্পতি তাদের বিয়েকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জনের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করলেন।

গত কয়েক মাস ধরে মিশেল ওবামা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন— যেমন ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠান ও প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। এ থেকেই সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে যে, ওবামা দম্পতির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

মিশেল এই প্রসঙ্গে বলেন, এ বছর কিছু সিদ্ধান্ত আমি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়েছিলাম, যা নিয়ে মানুষ অযথা সমালোচনা করেছে। অনেকেই ধরে নিয়েছে, আমি বারাককে ছেড়ে যাচ্ছি। আসলে, আমি শুধু নিজের মতো করে সময় নিচ্ছিলাম।

মিশেল বলেন, আমরা এখন ৬০ বছর বয়সি মানুষ। আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত ইনস্টাগ্রামে তুলে ধরতে হয় না। শুধু এটুকু না দেখেই মানুষ ধরে নিচ্ছে, আমাদের বিবাহ ভেঙে গেছে। এটা হাস্যকর।

তার ভাই ও সহ-পডকাস্ট উপস্থাপক ক্রেইগ রবিনসন বলেন, তোমাদের একসঙ্গে দেখে ভালো লাগছে।

উত্তরে মিশেল হেসে বলেন, হ্যাঁ, কারণ যখন আমরা একসঙ্গে থাকি না, তখন সবাই ভাবে আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে!

১৯৯২ সালে বিবাহিত এই দম্পতি তাদের দুই কন্যা মালিয়া ও সাশাকে নিয়ে একটি স্থিতিশীল পারিবারিক জীবনযাপন করছেন।

মজার ছলে মিশেল আরও বলেন, ভালো হয়েছে, আমাদের ছেলে সন্তান হয়নি। ওটা হলে আরেকটা বারাক হয়ে যেত!

সূত্র: এনডিটিভি

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading