যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে হতাহতের ঘটনায় ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানের শোক
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার (২১ জুলাই) ২০২৫, আপডেট ২৩:২০
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানের সরকার।
সোমবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় এক শোকবার্তায় ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “ঢাকায় একটি মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত ও দুঃখবোধ করছি, যেখানে নিহতের মধ্যে অনেকেই তরুণ শিক্ষার্থী।
‘পরিবারগুলোর জন্য আমাদের হৃদয় শোকাহত। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। বাংলাদেশের প্রতি ভারত সংহতি প্রকাশ করছে এবং সম্ভাব্য সব সহায়তা ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।’
অন্যদিকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার শোকবার্তায় বলেছেন, ঢাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে মূল্যবান প্রাণহানির ঘটনায় আমরা গভীরভাবে দুঃখিত।
“নিহতের পরিবারের প্রতি আন্তরিক শোক প্রকাশ করছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামানা করছি। কষ্টদায়ক এই সময়ে বাংলাদেশের সরকার, নেতৃত্ব এবং জনগণের জন্য আমার গভীর সমবেদনা।”
ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভেতরে সোমবার বিমান বাহিনীর একটি জঙ্গি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়; দগ্ধ হওয়াসহ নানাভাবে আহত হন দেড় শতাধিক মানুষ।
আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর বলছে, বিমান বাহিনীর ‘এফ-৭ বিজিআই’ উড়োজাহাজটি সোমবার দুপুরে উড্ডয়নের ১২ মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জহিরুল নামে এক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “আমার কাছে মনে হয়েছে, উড়োজাহাজটা মাঠে আছড়ে পড়ে। তারপর ছেঁচড়ে ভবনে গিয়ে ধাক্কা খায়। সেখানেই আগুন ধরে যায়।”
হায়দার আলী ভবন নামের ওই দুই তলা অ্যাকাডেমিক ভবনে ইংরেজি মাধ্যমের ক্লাস থ্রি থেকে এইটের শিক্ষার্থীদের ক্লাস হত। স্কুল ছুটির সময় হওয়ায় অনেক অভিভাবকও ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। অনেক দূর থেকেও সেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। জ্বলন্ত উড়োজাহাজটির আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট।
ইউডি/এবি

