গাজা সীমান্তে ত্রাণভর্তি ২২ হাজার ট্রাক, অনুমতি নেই প্রবেশের

গাজা সীমান্তে ত্রাণভর্তি ২২ হাজার ট্রাক, অনুমতি নেই প্রবেশের

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ২০২৫, আপডেট ১৬:৩৫

গাজার মানবিক পরিস্থিতি বিপর্যয় থেকে কোনো অংশে কম নয়। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো বলছে, উপত্যকার প্রতি তিনজনের দুজন দুর্ভিক্ষের মধ্যে আছে। সেখানে দুর্ভিক্ষ এক অপ্রত্যাখ্যানযোগ্য বাস্তবতা। উপত্যকার অধিকাংশ লোকই না খেয়ে আছে। গত সোমবার অনাহারে আরও ৫ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। মিসর ও জর্ডান সীমান্তে ২২ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক অপেক্ষা করলে ইসরায়েল এগুলোকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর স্টাফরা না খেয়ে রাত পার করার অভিজ্ঞতার কথা জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, বারবার বাস্তুচ্যুতি, ক্ষুধা ও অবসাদ গাজার মানুষের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। মানার নামে ইউএনআরডব্লিউএর স্টাফ বলেন, ‘প্রতিদিন আমি ঘুম থেকে উঠি কী হবে, তা না জেনেই। আমাদের বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। তারপর থেকে কোনো নিরাপদ আশ্রয় পাইনি। সব সময় আতঙ্ক– বোমার আতঙ্ক, কোনো স্বজন হারানো বা আবার অন্য কোথাও স্থানান্তরের আতঙ্ক। পানি নেই। খাবারও তো নেই-ই।’

সেভ দ্য চিলড্রেনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, গাজা থেকে অভুক্ত থাকার খবর আসছে। এটা তাঁবুতে বোমা ফেলে হত্যাযজ্ঞ চালানোর চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক পরিচালক আহমাদ আলহেনদাওয়ি বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে তো বিষয়টি আরও ভয়াবহ। তারা কেবল মৃত্যু নিয়েই আতঙ্কিত নয়, যদি তারা বোমা হামলা থেকে বেঁচেও যায়, তাহলে ধ্বংসস্তূপ থেকে তাদের উদ্ধার করাটাও কঠিন হবে।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, গত শুক্রবার ৭৩টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দেয় ইসরায়েল। তবে প্রয়োজনের তুলনায় তা ছিল একেবারেই সামান্য। গাজার কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন উপত্যকায় অন্তত ৬০০ ট্রাক ত্রাণের প্রয়োজন হয়।

ইউডি/এবি

badhan

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading