এআইয়ের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে প্রতারণা, সতর্ক করলো বিএসইসি

এআইয়ের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে প্রতারণা, সতর্ক করলো বিএসইসি

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১৫:১০

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট। প্রতারক চক্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (হোয়াটস্অ্যাপ, টেলিগ্রাম) বিনিয়োগকারীদের লোভনীয় বার্তা পাঠিয়ে প্রতারণা করছে। এই ধরনের প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি সতর্কবার্তা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বার্তায় বিএসইসি জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারকচক্র পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য লোভনীয় প্রস্তাব করে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রতারণার চেষ্টা করছে। এই ধরনের প্রলোভনমূলক বিনিয়োগ প্রস্তাব থেকে সব বিনিয়োগকারীকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছে কমিশন।

এছাড়া সতর্ক বার্তায় নিজ নামের বিও হিসাব এবং নিবন্ধিত স্টক ব্রোকার বা মার্চেন্ট ব্যাংকার বা পোর্টফোলিও ম্যানেজারের মাধ্যম ছাড়া পুঁজিবাজারে সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় বা আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য বিও আইডি থাকা আবশ্যক, যা নিবন্ধিত স্টক ব্রোকার বা ডিপোজিটরি পার্টিসিপ্যান্ট এর মাধ্যমে খোলা হয়।

বিএসইস আরো জানায়, সিকিউরিটিজ বা শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত লেনদেন বিনিয়োগকারীর নিজ নামে পরিচালতি বিও হিসাবে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক। বিনিয়োগকারীর নিজ স্বার্থেই এ বিষয়গুলোতে বিশেষভাবে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

সতর্কবার্তায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতারণ চক্রের বিষয়ে বা পুঁজিবাজার সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা কমিশনের মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে জানানোর জন্য বলা হয়েছে।

মার্কেট ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, প্রতারক চক্র প্রথমে সামান্য মুনাফা দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করা হয় এবং পরে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বড় অঙ্কের বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়ে থাকে। এভাবে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতে এক সময় বিনিয়োগকারীকে জানানো হয় যে, যেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিনিয়োগ করেছে সেটিতে সমস্যা হয়েছে তার জন্য বিনিয়োগকারীকে আরও অর্থ দিতে হবে। এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ নেওেয়ার পর প্রতারকচক্র ভুক্তভোগীকে ব্লক করে দেয়।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading