অ্যাডিশনাল ডিআইজি জালাল উদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন

অ্যাডিশনাল ডিআইজি জালাল উদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, আপডেট ১৫:৪০

বাংলাদেশ পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আজ ভোর সাড়ে পাঁচটায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই পুত্রসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, মরহুমের জানাজা বুধবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ বাহারুল আলম বিপিএম, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান, পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং মরহুমের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন।

জানাযা শেষে আইজিপি বাহারুল আলম, বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের পক্ষ থেকে মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। মরহুমকে অফিসিয়াল ফিউনারেল দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ২০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের সদস্য হিসেবে ২০০১ সালে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি এআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া, ডিঅ্যান্ডপিএস ও ক্রাইম ইস্ট শাখায় কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ইন্সপেকশন-১) হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পূর্ব তিমুরে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার মনসুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মরহুমকে আজ বাদ এশা তার গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুতে ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ বাহারুল আলম গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আইজিপি এক শোক বার্তায় বলেন, মরহুম মো. জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading