ঢাবিতে আবরারকে ঘিরে সেমিনার ও চিত্র প্রদর্শনী
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১৪:৫৮
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে আপসহীন এক তরুণ—আবরার ফাহাদ। ছয় বছর আগের ৭ অক্টোবরের রাতে পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ হারান আবরার, নড়েচড়ে বসেছিল পুরো দেশ। এই অনমনীয় স্পৃহা আর প্রতিরোধের স্মৃতি নিয়েই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আয়োজিত হলো ‘ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহীদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক সেমিনার ও চিত্র প্রদর্শনী।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে দৃঢ় অবস্থানের প্রতীক শহীদ আবরারের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মৃতিতে ঢাবির আর সি মজুমদার হলে ‘আধিপত্যবাদবিরোধী দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত হলো সেমিনার ও চিত্র প্রদর্শনী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেয়া বক্তারা বলেন, আবরারের রক্তে শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদই ঝরেনি, বরং তা হয়ে উঠেছে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার দৃঢ় আহ্বান।
তারা মনে করিয়ে দেন কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক যেন সার্বভৌম সিদ্ধান্তের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ না করে।
একই স্থানে আয়োজন করা হয় ‘স্মরণে মননে শহীদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর। প্রদর্শনীতে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে শহীদ আবরারের জীবন ও আদর্শ ফুটে উঠেছে।
এরপর পলাশী চত্বরে আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভের উদ্বোধন করা হয়।
প্রসঙ্গত, বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র আবরার থাকতেন শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে। সেখান থেকে ডেকে নিয়ে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। রাত ৩টার দিকে হলের সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ইউডি/রেজা

