আইএলওর তিন কনভেনশনে সই করল সরকার
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার (২২ অক্টোবর) ২০২৫, আপডেট ২২:১০
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তিনটি কনভেনশনে সই করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে বুধবার (২২ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কনভেনশন তিনটিতে সই করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।
কনভেনশনগুলো হলো— পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ১৫৫ নম্বর কনভেনশন; কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়নে প্রচারণামূলক কাঠামোবিষয়ক ১৮৭ নম্বর কনভেনশন এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধবিষয়ক ১৯০ নম্বর কনভেনশন।
এর মধ্যে ১৮৭ ও ১৫৫ নম্বরকে ২০২২ সালে মৌলিক কনভেনশন হিসেবে গ্রহণ করে আইএলও।
এসব তথ্য জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কনভেনশন তিনটিতে অনুসমর্থন করাটা শ্রমিকদের সুরক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই অনুসমর্থন শ্রম খাতের সব সামাজিক অংশীদারদের আন্তর্জাতিক শ্রমমান যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখবে।
সরকার বলছে, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশনে অনুসমর্থন জানালো।
দিনটি দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
২০১৩ সালের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির পর তৎকালীন সরকার সব কিছুতে রাজি হলো। কিন্তু যা করবে বলেছিল, সেগুলোর কিছুই হয়নি। শুধু ‘হচ্ছে, হবে’ করেই চলছিল। আমরা বললাম, ‘হচ্ছে-হবে’ আর নয়, এটা আমরা করেই যাব।”
তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরই আমার প্রথম দৃষ্টি ছিল শ্রম অধিকারে। বারবার বৈঠক করলাম। সবখানে বলতে থাকলাম যে, এটা করতেই হবে। এটাতে স্বাক্ষর করা মানে আমাদের সবার উপকার। আমাকে বলা হলো, আগামী জেনেভা বৈঠকে যেতে হবে। আমি বোঝার চেষ্টা করলাম অতীতে কেন কেউ গেল না।”
ইউডি/এবি

