সম্মেলন আজ, কে হচ্ছেন পরবর্তী সভাপতি?
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, আপডেট ০০:৩৫
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন–২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর)। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির ২০২৬ মেয়াদের নতুন কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্রত্ব শেষ হওয়ায় বর্তমান সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক রাজনীতিতে আর সক্রিয় থাকতে আগ্রহী নন। এ কারণে চলতি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ছাত্রশিবিরের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সারা দেশ থেকে আগত কয়েক হাজার সদস্যের সরাসরি ও গোপন ভোটে কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হবেন। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সভাপতি একজনকে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনীত করবেন।
এদিকে শুক্রবারের সম্মেলনকে ঘিরে সংগঠনের শীর্ষ পদে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় এসেছে। সভাপতি পদে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সিবগাতুল্লাহ সিবগা, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ এবং কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সাদিক কায়েম।
সংগঠনটির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ছাত্রশিবিরে সাধারণত সেক্রেটারি জেনারেলই পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পান। এ ধারার ব্যতিক্রম সংগঠনটির ইতিহাসে খুব একটা দেখা যায়নি। সে হিসেবে বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দামই নতুন সভাপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নেতারা ধারণা করছেন, সভাপতি নির্বাচিত হলে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম আলোচনায় থাকা অন্য নেতাদের মধ্য থেকেই একজনকে সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে মনোনীত করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সিবগাতুল্লাহ সিবগা, আজিজুর রহমান আজাদ কিংবা সাদিক কায়েমের নাম সামনে আসতে পারে।
সংগঠনটির নেতাদের মতে, ২০২৫ সালের এই কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন ছাত্রশিবিরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ সময়ের মুখোমুখি হচ্ছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন থাকায় তরুণ ভোটারদের একটি বড় অংশকে আকৃষ্ট করতে সময়োপযোগী, কৌশলী ও মেধাবী নেতৃত্ব অত্যন্ত জরুরি।
এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ছাত্র রাজনীতির নতুন ধারায় নিজেদের অবস্থান সুসংহত করাও নবনির্বাচিত নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউডি/এআর

