আ.লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ০৪ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৮:০০
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জাবেদ শেখ (২০) নামের এক তরুণের কবজি উড়ে গেছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালের দিকে উপজেলা বিলাসপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কুদ্দুস বেপারী ও বিলাসপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে।
এর আগেও তারা বিভিন্ন সময় সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে বেশ কয়েকবার।শনিবার রাতে ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজার এলাকায় কুদ্দুস বেপারীর সমর্থক মান্নান বেপারী এবং জলিল মাদবরের সমর্থক নাসির বেপারীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
পরে রবিবার সকালে উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় দুই শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এতে একজনের কবজি ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমান এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) তানভীর আহমেদ বলেন, জাবেদ শেখ নামে এক যুবকের ককটেলের আঘাতে বাম হাতের কবজি উড়ে গেছে।এছাড়াও তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।জাজিরা থানার ওসি সালেহ আহম্মদ বলেন, কুদ্দুস বেপারী ও জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ হয়।
এতে দুই পক্ষ প্রায় দুই শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এক তরুণ আহত হয়েছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন এলাকা শান্ত রয়েছে।
বর্তমানে এখনো মামলা হয়নি এবং কেউ আটক হয়নি।তিনি আরও বলেন, জলিল মাদবর বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
আর কুদ্দুস ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের পর গ্রেপ্তার হন। এরপর জামিনে বের হয়ে চলে যান আত্মগোপনে।
ইউডি/এআর

