এলপিজি আমদানিতে এলো সুখবর
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১২ জানুয়ারি , ২০২৬, আপডেট ১৭:২৫
আমদানিকৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলপিজিকে ‘শিল্প কাঁচামাল’ হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর ফলে আমদানিকারকেরা এখন থেকে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সময় মেয়াদে সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।সাধারণত বাণিজ্যিক পণ্য আমদানিতে যে ধরনের ঋণের কড়াকড়ি থাকে, এলপিজির ক্ষেত্রে তা শিথিল করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি যেহেতু বিশাল পরিমাণে (বাল্ক) আমদানি করার পর সিলিন্ডারজাত করে বাজারে ছাড়তে বেশ সময় লাগে, তাই একে ‘শিল্প কাঁচামাল’ হিসেবে গণ্য করা যুক্তিসঙ্গত।
এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি ব্যবসায়ীরা বিদেশি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ‘বায়ার্স ক্রেডিট’ সুবিধা নিতে পারবেন। এছাড়া অফশোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও মিলবে।বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে দীর্ঘ ২৭০ দিন পর্যন্ত ক্রেডিট সুবিধা পাওয়া যায়।
এখন থেকে এলপিজি আমদানিতেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এর ফলে আমদানিকারকদের এলসি (LC) খোলার সময় তাৎক্ষণিকভাবে ডলার বা নগদ অর্থের ওপর চাপ কমবে, যা পরোক্ষভাবে বাজারে সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
বর্তমানে পাইপলাইনের গ্যাসের সংকটের কারণে এলপিজির ওপর চাপ বেড়েছে কয়েক গুণ। সরবরাহে ঘাটতির সুযোগ নিয়ে সিলিন্ডার প্রতি ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে গিয়ে সাধারণ মানুষ ও হোটেল ব্যবসায়ীরা চরম হিমশিম খাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নতুন সুবিধার ফলে আমদানির প্রবাহ বাড়লে বাজারে দাম স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইউডি/এআর

