বিয়ে করলেই মিলবে বড় অঙ্কের অনুদান!

বিয়ে করলেই মিলবে বড় অঙ্কের অনুদান!

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১০:০০

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিবার গঠনে তরুণদের উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে। আমিরাতি কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে বিয়ে করলে মোটা অঙ্কের আর্থিক অনুদান এবং সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দুবাইভিত্তিক ‘আল হাবতুর গ্রুপ’।

সামাজিক মাধ্যমে এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে দুবাইয়ের প্রখ্যাত ধনকুবের এবং আল হাবতুর গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খালাফ আল হাবতুর জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো আমিরাতি নাগরিক বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলে প্রদান করা হবে ৫০ হাজার দিরহাম। শুধু এই ঘোষণাই নয়, বিয়ের পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে ওই দম্পতির সন্তান জন্ম নিলে অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে দ্বিগুণ করারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩২ লাখ টাকার সমান। তিনি আরো জানিয়েছেন, ‘বিবাহ এবং পরিবার গঠন কেবল ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয় বরং এটি একটি সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ব। একটি শক্তিশালী জাতি ও স্থিতিশীল সমাজ গঠনে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম।’ তিনি মনে করেন, সরকার যুবসমাজকে পারিবারিক জীবন শুরু করতে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে থাকে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি সচ্ছল প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের পক্ষ থেকে এমন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক কোটি ১৫ লাখে, যার মধ্যে স্থানীয় নাগরিকদের হার মাত্র ১৫ শতাংশ। জনসংখ্যার এই ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং স্থানীয়দের পারিবারিক সুরক্ষায় আগে থেকেই বিভিন্ন আর্থিক কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে দেশটির সরকার।

এবার বেসরকারি খাতে আমিরাতি নাগরিকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ বোনাস বা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পারিবারিক সুরক্ষায় আল হাবতুর গ্রুপের এই ঘোষণা আরো বেগবান করবে সরকারি প্রচেষ্টাকেও। দেশটির নাগরিকদের সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন বিষয়গুলো নিয়ে খুব সোচ্চার আল হাবতুর গ্রুপ। সূত্র: খালিজ টাইমস

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading