গণতান্ত্রিক রূপান্তরে বাংলাদেশের ‘পাশে থাকবে’ আমেরিকা: রাষ্ট্রদূত

গণতান্ত্রিক রূপান্তরে বাংলাদেশের ‘পাশে থাকবে’ আমেরিকা: রাষ্ট্রদূত

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ২০২৫, আপডেট ২৩:২০

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রতি আমেরিকার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচন ও সংস্কার কার্যক্রমে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও আমেরিকার সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা, ভিসা বন্ডসহ অভিবাসন ও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশেআমেরিকার ব্যবসা ও বিনিয়োগের সুযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক বিষয়গুলোও আলোচনায় উঠে আসে।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বাগত জানান।

তিনি ঢাকায় রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেনের পূর্ববর্তী দায়িত্বকাল এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন পদে থেকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক উন্নয়নে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

খলিলুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান মেয়াদে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

বৈঠকে ঢাকায় আমেরিকা দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান উপস্থিত ছিলেন।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় আসেন গত ১২ জানুয়ারি। গত সেপ্টেম্বরে ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে ‘অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রাঅর্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপটেনশিয়ারি’ হিসেবে মনোনয়ন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এরপর গত মাসে মার্কিন সেনেটের অনুমোদন পান তিনি।

কূটনীতিক হিসেবে ক্রিস্টেনসেনের বাংলাদেশে আসা এবারই প্রথম নয়। চার বছর আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।

ইউডি/এবি

badhan

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading