যুদ্ধবিরতির পরও থাইল্যান্ড ভূখণ্ড দখল করছে, দাবি কম্বোডিয়ার

যুদ্ধবিরতির পরও থাইল্যান্ড ভূখণ্ড দখল করছে, দাবি কম্বোডিয়ার

উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১১:৩০

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় শান্তি চুক্তি সত্ত্বেও গত বছর সংঘাতের পর থাই বাহিনী কম্বোডিয়ার ভূখণ্ড দখল করছে বলে দাবি করেছেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেট। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সকে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় থাইল্যান্ডকে তাদের বিতর্কিত সীমান্তে একটি যৌথ সীমানা কমিশনের কাজ শুরু করার অনুমতি দেয়ার আহ্বান জানান মানেট।

হুন মানেট এই সপ্তাহে ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডের বৈঠকে যোগ দিতে ওয়াশিংটনে যান এবং বলেন, তিনি আশা করেন যে নতুন সংস্থাটি সীমান্তের পরিস্থিতি শান্ত করতে ভূমিকা পালন করবে। যা তিনি ডিসেম্বরের যুদ্ধবিরতিকে ‘ভঙ্গুর’ বলে বর্ণনা করেছেন, যদিও যুদ্ধবিরতির ফলে নতুন করে লড়াই বন্ধ হয়েছে।

অন্যদিকে, থাইল্যান্ড বলেছে, তারা উত্তেজনা কমানোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সৈন্যদের অবস্থান সেখানে বজায় রাখছে এবং অঞ্চল দখলের বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

২০২৩ সালে তার বাবার কাছ থেকে ক্ষমতা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হন হুন মানেট। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাথে তার প্রথম সাক্ষাৎকারে, ওয়াশিংটনের সাথে উষ্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন যে তার সরকার দেশে বেড়ে ওঠা সাইবার কেলেঙ্কারি কেন্দ্রগুলো মোকাবেলায় কাজ করছে।

সীমান্ত সংঘাতের বিষয়ে কম্বোডিয়ার নেতার সর্বশেষ মন্তব্য এই অঞ্চলের সংঘাতকে পুনরায় বাড়ানোর ঝুঁকিতে ফেলেছে।

সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গত জুলাই মাসে শুরু হওয়া এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে এবং ৫০৮ মাইল (৮১৭ কিলোমিটার) সীমান্তে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হয়।

২৭ ডিসেম্বর নতুন যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগে ট্রাম্প এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সাথে অক্টোবরের শান্তি চুক্তি সই হয়। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা ভেঙে যায়।

সূত্র: রয়টার্স

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading