কুমারখালীতে ৩ দোকান আগুনে পুড়ে ছাই
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১৭:৩০
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে একটি ফার্নিচার, একটি কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকান ও একটি পল্লী চিকিৎসক দোকান পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত আগুন তা জানা যায়নি।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- ওই এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে জাকির হোসেন। তিনি কাঠ ও ফার্নিচার ব্যবসায়ী। ফজলু শেখের ছেলে ফয়সাল শেখ। তিনি কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিনের ব্যবসায়ী। অপরজন হলেন আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফ উদ্দিন (ডেন্টিস)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে তিনটার লাহিনীপাড়া এলাকার তিনটি দোকানে দাউ দাউ করে আগুন দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে চিৎকার চেঁচাচেচি করে সবাই ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে এবং কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে মুঠোফোনে কল দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। এরপর এলাবাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের প্রায় একঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে সব মালামালসহ তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত সাড়ে তিনটার দিকে আগুন দেখে সবাই ছুটে এসে নেভানোর চেষ্টা করে। শেষ মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। ততক্ষণে তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত জাকিরের ভাই লালন হোসেন বলেন, আমার ভাইয়ের দোকানে কাঠ, ফার্নিচার, যন্ত্রপাতিসহ ১৫-২০ লাখ টাকার মাল ছিল। আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তার ভাষ্য, তিনটি দোকানে প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্বন্ধে কিছু জানা যায়নি।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার আলী হোসেন ফোনে বলেন, খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সকলের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও তিনটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে পরে জানানো যাবে।
ইউডি/রেজা

