তেলের দাম বাড়ছে কিনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল সরকার
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৭:২০
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা চললেও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে যশোরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পৃথিবীর প্রায় ৮০টি দেশ জ্বালানির দাম বাড়ালেও বাংলাদেশ সরকার এখনই তেমন কোনো পরিকল্পনা করেনি।তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুৎ, পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ে। জনগণের দুর্ভোগ কমাতে চতুর্মুখী চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছি।’
অনিন্দ্য ইসলাম (অমিত) জানান, সম্প্রতি দেশে জ্বালানির চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা ছিল, ঈদের আগে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ থেকে ২৫ হাজার টনে। পেট্রল ও অকটেনের চাহিদাও আগের চেয়ে অনেক বেশি।
তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।’
যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ১৫৩ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তির হাতে এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ইতিহাস টেনে বলেন, ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই কর্মসূচি চালু করেছিলেন।পরবর্তী সরকারগুলো এর পরিধি বাড়ালেও গত ১৫ বছরে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বর্তমান সরকার প্রকৃত দুস্থদের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ করছে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ইউডি/এআর

