ব্রাজিলে ফুটবলার হওয়া মানে পিষ্ট হওয়া: নেইমার
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১২:২০
ফিফা আন্তর্জাতিক বিরতির সময় নিজ দেশ ব্রাজিলেই আছেন সান্তোস তারকা নেইমার। দীর্ঘদিনের ইনজুরি কাটিয়ে আবার ক্লাবফুটবলে ছন্দে ফেরা এই ফরোয়ার্ড এখন চোখ রাখছেন আসন্ন বিশ্বকাপে দলে জায়গা করে নেওয়ার দিকে, বিশেষ করে কোচ কার্লোআনচেলত্তির পরিকল্পনায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে।
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে নেইমার তার প্রতিদিনের জীবন তুলে ধরেছেন। সেখানে মেয়ে মাভির সঙ্গেসময় কাটানোর আনন্দ যেমন দেখা গেছে, তেমনি ইনজুরি এড়াতে কঠোর ফিটনেস ও থেরাপির দিকটিও উঠে এসেছে।
ব্রাজিলের ফুটবলে খেলোয়াড়দের ওপর যে বিশাল প্রত্যাশার চাপ থাকে, সেটিকে তিনি ‘নিষ্ঠুর’ বলেই বর্ণনা করেছেন। নেইমারের ভাষায়, “একজন খেলোয়াড় হওয়ার জন্য বড় মূল্য দিতে হয়। ব্রাজিলে এই জীবনটা খুব কঠিন, মানুষ আপনাকে আক্ষরিক অর্থেই পিষ্ট করেফেলে। তারা বুঝতে চায় না যে আপনিও একজন সাধারণ মানুষ। আমারও আপনাদের মতোই আবেগ আছে, আমিও কষ্ট পাই, ব্যথায়নীল হই। আমারও মেজাজ খারাপ হয়, আমিও কাঁদি। তাহলে কেন আমি সাধারণ মানুষের মতো কাজগুলো করতে পারব না?”
ছুটির ফাঁকে ব্রাজিল বনাম ফ্রান্সের একটি প্রীতি ম্যাচও দেখেছেন তিনি। সেখানে সাবেক সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পের পারফরম্যান্সে মুগ্ধহয়ে নেইমার বলেন, গোলের সামনে এমবাপ্পে খুব কমই ভুল করে। পাশাপাশি ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তিনি জোর দিয়েছেন সেরাফর্মে থাকার ওপর এবং সবাইকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সান্তোসের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতাও শেয়ার করেছেন নেইমার। করিন্থিয়ান্সের বিপক্ষে এক ডার্বি ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিরআশঙ্কা থাকলেও, পরে ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ব্যথামুক্তভাবে খেলতে পারায় তিনি আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন। ব্যক্তিগত ট্রেইনাররিকার্ডো রোসার তত্ত্বাবধানে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি, যাতে বিশ্বকাপের আগে আর কোনো চোট তার পথ আটকে না দেয়।
ইউডি/কেএস

