আলেমদের ওপর অত্যাচার-জুলুম হতে দেব না: ধর্মমন্ত্রী

আলেমদের ওপর অত্যাচার-জুলুম হতে দেব না: ধর্মমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, আপডেট ১৭:৩০

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, প্রয়োজনে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি আছি। কিন্তু আলেম-ওলামাদের ওপর কোন অবিচার-অত্যাচার, জুলুম হতে দেব না, ইনশাল্লাহ। মাদ্রাসাগুলোকে যেনো বঞ্চিত করা না হয়, তাদের প্রতি যেনো অবিচার না করা হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়ে সোচ্চার আছেন বলেও জানান তিনি।

রবিবার (১৭ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ‘কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে আলেম-ওলামাদের করণীয়’- শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ওলামায়ে কেরামদের জন্য ইসলাম টিকে আছে, টিকে থাকবে। ইসলামের প্রচারের জন্য এবং মাদ্রাসাগুলো চালানোর জন্য কারও কোন সাহায্য প্রয়োজন হয় না। আল্লাহপাকই কেয়ামত পর্যন্ত এগুলোকে টিকিয়ে রাখবেন। এদেশের আলেমসমাজ একটি প্লাটফর্মে আসতে পারলে অনেক কিছুই সম্ভব।

চামড়া সংরক্ষণে আলেমদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ধর্মমন্ত্রী বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি দাম না পেয়ে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। এমনটি যেন না ঘটে। এই চেষ্টা আপনাদেরকে করতে হবে। এ বিষয়ে সরকারও সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে। চামড়ার গুণগতমান যেন ভালো থাকে সেভাবে চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

এসময় চামড়া সিন্ডিকেট ও দালালের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ধর্মন্ত্রী।

আলেমদের সমাজের ধারক ও বাহক হিসেবে উল্লেখ করে মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেন, ১৯৭৯ সালের গণভোটে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কোন সংগঠন ছিলো না। বাংলার জমিনের পীর-মাশায়েখ, কওমি ওলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা সেদিন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মী হিসেবে কাজ করেছিলেন। তারাই সেদিন জিয়াউর রহমানকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে বিজয় এনে দিয়েছিলেন। তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কওমি আলেম-ওলামাদের ভূমিকার জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কোন সরকার প্রধানই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার কথা চিন্তা করেননি। তারেক রহমান সেটা করেছেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিরা এই সম্মানী ভাতা পাবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading