দ্রুততম গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে তুরস্কের বিদায়

দ্রুততম গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে তুরস্কের বিদায়

উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, আপডেট ১২:০০

লম্বা সময় পর বিশ্বকাপে ফিরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হেরেছিল তুরস্ক। দ্বিতীয় রাউন্ডের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে আজ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ড্র অথবা জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না আর্দা গুলেরদের সামনে। এমন বাঁচা-মরার ম্যাচের বিশ্বকাপের এবারের আসরের দ্রুততম গোলে দশ জনের প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেছে তুরস্ক। টানা দুই হারে এবারের আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে দলটির।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে তুরস্কের এই ম্যাচটি ছিল নাটকীয়তা আর রেকর্ডে ভরপুর। বিশ্বকাপের আজকের আরেক ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি ৭১ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে টুর্নামেন্টের এবারের আসরের দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন। তবে সেই রেকর্ড স্থায়ী ছিল কেবল কয়েক ঘন্টা।

তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে নেমেই সাইবারির সেই রেকর্ড নিজের করেন প্যারাগুয়ের মাতিয়াস গালারজা। ম্যাচ শুরুর ৬৫ সেকেন্ডেই গোল করে তুরস্ককে চমকে দেন এই ফুটবলার। একই সঙ্গে এবারের আসরের দ্রুততম গোল করার রেকর্ড গড়েন তিনি।

এদিকে ম্যাচের একেবারের শুরুতেই গোল হজম করে বিপাকে পড়া আরদ্দা গুলেররা শেষ পর্যযন্ত আর সমতায় ফিরতে পারেননি। এমনকি প্যারাগুয়ে দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পরও না।

তুরস্কের বিপক্ষে প্যারাগুয়ের এই ম্যাচটি আলোচনায় আরও একটি কারণে। এই ম্যাচ দিয়েই ফিফার নতুন নিয়মে প্রথম লাল কার্ড দেখেছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন। ম্যাচের প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে তুরস্কের ডিফেন্ডার মের্ট মুলদুরের সাথে মাঠে বাদানুবাদে জড়ান আলমিরন। সে সময় নিজের মুখ হাত দিয়ে ঢেকে মুলদুরের উদ্দেশ্যে কিছু একটা মন্তব্য করেন তিনি। বিষয়টি মাঠের রেফারির চোখ এড়ালেও ভিএআর রিভিউয়ের পর রেফারি আলমিরনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন।

ফুটবল মাঠ থেকে বর্ণবাদ, বৈষম্য এবং আপত্তিকর মন্তব্য দূর করতে গত এপ্রিল মাসে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা ফিফা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী মাঠে প্রতিপক্ষের সাথে কোনো দ্বন্দ্ব বা বাদানুবাদের সময় কোনো খেলোয়াড় যদি হাত বা জার্সি দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখেন, তবে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেওয়া হবে। চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকেই এই নিয়মটি কঠোরভাবে কার্যকর করা শুরু হয়েছে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading