মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা

মহাশূন্যে বিশ্বকাপের বল পাঠিয়ে নতুন বার্তা দিল নাসা

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, আপডেট ০৯:২০

ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলকে মহাশূন্যে নিয়ে যাওয়ার তথ্য জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সংস্থাটি বলছে, মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তির সঙ্গে খেলাধুলার সম্পর্ক তুলে ধরতে এবং নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাসার মতে, মহাকাশ অনুসন্ধানের মাধ্যমে অর্জিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি শুধু মহাকাশেই নয়, ক্রীড়াবিজ্ঞান এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। সেই বার্তাই বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে দিতে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলকে মহাশূন্যে পাঠানো হয়েছে।

এ উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে নাসা। সেখানে সংস্থাটি লিখেছে, আমরা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে চাই, যাতে তারা বুঝতে পারে মহাকাশ অনুসন্ধান কীভাবে ক্রীড়াবিজ্ঞান ও দৈনন্দিন জীবনের নানা উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

এই আয়োজন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে নাসার বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ফিফা ফ্যান ফেস্টিভালে নাসার একটি বিশেষ প্রদর্শনী চলছে। সেখানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রম এবং চাঁদে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যে পরিচালিত আর্টেমিস কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হচ্ছে।

ফুটবলের সঙ্গে নাসার সম্পর্ক কেবল প্রচারণামূলক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পরিচালিত গবেষণা ক্রীড়াবিজ্ঞানেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশেষ করে ফুটবলের বায়ুগতিবিদ্যা ও বলের গতিবিধি নিয়ে গবেষণায় এসব তথ্য কাজে লাগছে।

২০১৯ সালে আইএসএসের মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশে পরিচালিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেন, বলের অভ্যন্তরে ভরের বণ্টন তার গতি, ঘূর্ণন ও স্থিতিশীলতার ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে। গবেষণাটির ফলাফল ফুটবলে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তি, যেমন বলের ভেতরে স্থাপিত ইলেকট্রনিক সেন্সর, ম্যাচের সময় বলের পারফরম্যান্সে কীভাবে প্রভাব ফেলে তা আরও ভালোভাবে বুঝতে সহায়তা করেছে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading