এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০৩ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১২:৪০

৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১১.৩১ মিনিটে উত্তর মালুকু প্রদেশের টোবেলো থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার (৩৬ মাইল) পশ্চিমে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ১১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত টারনাটের বাসিন্দা উমর আব্বাস এএফপিকে বলেন, ‘আমি রাস্তার ধারের একটি কফির দোকানে বসে খাচ্ছিলাম, এমন সময় হঠাৎ আমার চেয়ারটা দুলতে শুরু করল। আমি এক মুহূর্তের জন্য আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ অতীতের ভূমিকম্পের স্মৃতি আমাকে এখনও তাড়া করে ফেরে।’

প্রসঙ্গত, ভৌগলিকভাবে ইন্দোনেশিয়ার অবস্থান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ার বা আগ্নেয় মেখলা অঞ্চলে। ইউরোপ ও এশিয়ার টেকটনিক প্লেটের নড়াচড়ার কারণে কারণে এই অঞ্চলটি এমনিতেই ভূমিকম্পপ্রবণ। তার ওপর দেশটিতে রয়েছে প্রায় ১৩০টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এসব কারণে ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দাদের নিয়মিতই ভূমিকম্প মোকাবিলা করে টিকে থাকতে হয়।

গত কয়েক মাসে ইন্দোনেশিয়ায় একাধিক বড় ভূমিকম্প ঘটেছে। চলতি বছরের ইন্দোনেশিয়ার মাজু দ্বীপের কাছে ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এতে একাধিক বাড়িঘর ভেঙে পড়ে এবং অঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এরআগে ২০২২ সালে পশ্চিম জাভার সিয়ানজুরে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৬০২ জন এবং ২০১৮ সালে সুলাওয়েসিতে ভূমিকম্প ও সুনামিতে ৪৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এছাড়া ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্পে সৃষ্ট সুনামিতে ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন, যাদের অধিকাংশই ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন।

সূত্র: আনাদোলু

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading