হরমুজে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে চীনসহ বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলো ‘বিশেষ সুবিধা’ পাবে: ইরান

হরমুজে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে চীনসহ বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলো ‘বিশেষ সুবিধা’ পাবে: ইরান

উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৪:১৫

চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নতুন ফি আরোপ করা হবে, তবে চীন ও অন্যান্য ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো এ ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা পাবে।

সংঘাত বন্ধ করার জন্য গত মাসে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রাথমিক চুক্তিতে বলা হয়েছিল যে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ৬০ দিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বিনামূল্যে চলাচল করতে পারবে, কিন্তু ওই সময়ের পরে কী নীতি কার্যকর হবে তা স্পষ্ট ছিল না।

স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চলমান থাকলেও, আমেরিকা বলেছে যে কোন চূড়ান্ত চুক্তির অধীনে প্রণালীটি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল বা মাশুল আরোপের অনুমতি ইরানকে দেয়া হবে না।

এদিকে, শনিবার বেইজিংয়ে বিশ্ব শান্তি ফোরামে দেয়া এক ভাষণে রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি বলেন, প্রণালীটির জন্য নতুন ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ওমানের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করছে।

‘যেহেতু হরমুজ আমাদের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ, তাই আমরা অবশ্যই পরিষেবা ফি ধার্য করব, ফজলি অনূদিত মন্তব্যে একথা বলেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে এই ফি কোনো টোল হবে না।

অন্যদিকে, ইরানের নুরনিউজ সংস্থাও তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে যে, এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পরিষেবা ফি-এর পরিমাণ ও ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে চীন এবং অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হবে।

ইরানে আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পাঠানো হতো, যা ফেব্রুয়ারির শেষে আমেরিকা ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধের সময় ইরান প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, ফলে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়।

এপ্রিলে, ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করার লক্ষ্যে আমেরিকা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোর ওপর একটি পাল্টা নৌ অবরোধ আরোপ করে।

সূত্র: আল জাজিরা

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading