বন্যা কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে রাঙ্গামাটি
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ১৩:১০
বৃষ্টি কমে যাওয়ায় উন্নতি হতে শুরু করেছে রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতি। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে বন্যা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলার সব থেকে বেশি প্লাবিত উপজেলা বাঘাইছড়ির অধিকাংশ ইউনিয়নে পানি নেমে গেছে। ফলে আশ্রয় কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। তবে পশ্চিম লাইল্যাঁঘোনা ইউনিয়নে এখনও পানিবন্দি হয়ে আছে দেড় শতাধিক পরিবার।
অন্যদিকে, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পানি সম্পূর্ণ নেমে গেছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানে বেশ কিছু বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তারা।
ফারুয়া বাজার কমিটির সভাপতি মো. হারুন বলেন, ‘বন্যায় বাজার ও আশেপাশের এলাকার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পুরো বাজার ও আশেপাশের এলাকায় প্রায় আড়াই ফুট পলিমাটির নিচে নিমজ্জিত হয়ে আছে। পলি অপসারণ করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন তারা। তবে আর্থিক ক্ষতি এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।’
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘রাঙ্গামাটির বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। জেলার বাঘাইছড়ির অধিকাংশ এলাকার পানি নেমে গেছে। কিছু আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষ বাড়িতে ফিরে গেছেন। অন্যদিকে বিলাইছড়ির ফারুয়ার পানি সম্পূর্ণ নেমে গেছে। গতকাল উপজেলা প্রশাসন সেখানে ত্রাণ বিতরণ করেছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে।’ তিনি আরও জানান, বরকল ও জুরাছড়ির বন্যা পরিস্থিতিও উন্নতি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারীদের তিন বেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে উপজেলা প্রশাসন, আর্মি, বিজিবি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।’
ইউডি/কেএস

