জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (০৮ আগস্ট) ২০২৬, আপডেট ২৩:৫৫
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন (প্রতিফলিত) হবে।’
শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআইয়ের কমপ্লেক্সের ভেতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দী করে রেখে তাদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তী সময়ে “আয়নাঘর” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে বন্দীদের ধরে এনে অমানবিকভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি, এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোনো একটি কামরায় আনা হয়। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল, এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে (তদন্তে) বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।’
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের কোনো নাগরিক যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোনো কিলিংয়ের (বিচারবহির্ভূত হত্যা) শিকার যাতে কোনো নাগরিক না হন। কেউ যাতে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন, মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হন।
ইউডি/এবি

