পাবনা জেনারেল হাসপাতালে তিনদিন ধরে নেই বিদ্যুত্-পানি
উত্তরদক্ষিণ মূদ্রিত সংস্করন ৩০ অক্টোবর ২০১৯ প্রকাশ ০০:০১ আপডেট ১৩:৩০
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালে তিনদিন ধরে বিদ্যুত্ নেই। আর বিদ্যুত্ না থাকায় পানিও নেই। বিদ্যুত্-পানির অভাবে হাসপাতালে রাতের চিত্র হয় আরও ভয়াবহ। ভ্যাপসা গরম এবং অন্ধকারে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। ব্রেইন ষ্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী, প্রসূতি, নবজাতকসহ মেডিসিন ও গাইনি বিভাগে রোগীদের নাভিশ্বাস উঠেছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, পাবনা মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল নেই। এ কারণে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালকে অস্থায়ী হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এজন্য এখানে রোগীর চাপও সব সময় বেশি থাকে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই হাসপাতালে ৪১২ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এর মধ্যে শিশু বিভাগে মাত্র ৩৮ শয্যার বিপরীতে রোগী ভর্তি আছে ২ শতাধিক। এছাড়া বহির্বিভাগে গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) চিকিত্সা পত্র দেয়া হয় ৭১০ জনকে। কিন্তু বিদুতের অভাবে এক্স-রে, অস্ত্রপচারসহ সব জরুরি চিকিত্সা বন্ধ রয়েছে। রাতে সৃষ্টি হচ্ছে ভুতুড়ে পরিবেশ। বিপন্ন হয়ে উঠেছে শিশু ও বয়বৃদ্ধদের জীবন। ভ্যাপসা গরমে রোগীদের জীবন অতিষ্ঠ। এছাড়া প্রাকৃতিক কার্য সম্পাদনে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন রোগী এবং তাদের স্বজনরা।
হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. রঞ্জন কুমার দত্ত জানান, গত রবিবার (২৭ অক্টোবর) রাতে হঠাত্ করেই বিদ্যুত্ সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে চালুর চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। বিদ্যুত্ বিভাগ পাবনা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জিয়াউল ইসলাম জানান, পাবনা জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে ১১ কেভি লাইনের নিজস্ব ট্রান্সফরমার।

