প্যারিস মাস্টার্স জিতে জকোভিচের রের্কড
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০৫ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩২
টেনিস খেলোয়াড়দের মধ্যে ফেবারিটদের তালিকায় রয়েছে রজার ফেডেরা, রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জকোভিচ। তবে এবার প্যারিস মাস্টার্সে প্রথম থেকেই ছিলেন না রজার ফেডেরা। খেলার মাঝপথে চোটের কারণে সড়ে যান রাফায়েল নাদালও। এই অবস্থায় বিগ থ্রি’র বাকি একজনই ছিলেন প্যারিস মাস্টার্স জয়ের প্রধান দাবিদার। ফেভারিট হিসাবে কোর্টে নেমে নোভাক জকোভিচ প্রত্যাশা মতোই জিতে নিলেন প্যারিস মাস্টার্সের খেতাব। এই নিয়ে মোট পাঁচবার প্যারিসের ঐতিহ্যশালী এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেন জোকার। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের ৩৪ তম মাস্টার্স ট্রফি ঘরে তোলেন সার্বিয়ান তারকা। এই নিরিখে তিনি রাফায়েল নাদালের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করলেন। নাদালের দখলে রয়েছে সর্বাধিক ৩৫টি মাস্টার্স জয়ের রেকর্ড। রাফার থেকে মাত্রা এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে জকোভিচ। সার্বিকভাবে এটি জকোভিচের মৌসুমের পঞ্চম এবং ক্যারিয়ারের ৭৭ নম্বর এটিপি খেতাব। এবছর দু’টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন নোভাক। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও উইম্বলডন ছাড়া মাদ্রিদ ও টোকিও ওপেনের খেতাবও ইতিমধ্যেই ঘরে তুলেছেন তিনি। এবার তার সঙ্গে যোগ হল প্যারিস মাস্টার্স। প্যারিসের ফাইনালে বিশ্বের ২৮ নম্বর ডেনিশ শাপোভালোভকে ৬-৩, ৬-৪ স্ট্রেট সেটে উড়িয়েদেন জকোভিচ। কানাডিয়ান তরুণ এই প্রথম কোনোও মাস্টার্স টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেলে। হারলেও বিশ্বর্যাংকিংয়ে বড়সড় লাফ দিতে চলেছেন শাপোভালোভ। ১৫ নম্বরে উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে তার। জয়ের পর জকোভিচ বলেন, ‘গোটা ম্যাচে আমি দারুণ সার্ভ করেছি। খুব বেশি র্যালি হয়নি ম্যাচে। দু’টি সেটে একটি করে ব্রেকই যথেষ্ট হয়ে দেখা দেয়। গোটা টুর্নামেন্টর মধ্যে ফাইনালেই আমার সার্ভিস সব থেকে ভালো হয়েছে। ডেনিসের এটা প্রথম মাস্টার্স ফাইনাল ছিল। স্বাভাবিকভাবেই ওর অনভিজ্ঞতা ধরা পড়েছে কোর্টে। ও লক্ষ্যে স্থির থাকতে পারেনি। তবে আমি ফাইনালে তুলনায় ভালো টেনিস খেলেছি।’ সূত্র: কলকাতা ২৪*৭

