রাঙ্গাঁর রং-বেরং

রাঙ্গাঁর রং-বেরং

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৩ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩০

মোহাম্মদ শিহাব : বাস মালিক সেই সঙ্গে রাজনীতিবিদ। এর পর পরিবহন মালিক সমিতি এবং রাজনৈতিক নেতা। এভাবেই উঠে এসেছেন মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ। তিনি জাতীয় পার্টির (জাপা) একটি জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন। সেখান থেকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। আর সাবেক জাপা মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার দুর্নীতির দায়ে বাদ পদ হারানোয় দলের মহাসচিব পদে স্থান পান তিনি। অবশ্য রওশনের অনুসারী হওয়ায় ১০ম সংসদে প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। মূলত সেখান থেকেই রাঙ্গাঁর পরিচিতি ও উত্থান। একাদশ সংসদে মন্ত্রিত্ব না জোটলেও বিরোদী দলীয় চিপ হুইপের দায়িত্ব পান তিনি। এর মধ্যে দলে বেশ ওলট-পালট হলেও রাঙ্গাঁর পদটি বহালই ছিল এতদিন। কিন্তু স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে বেকায়দায় পড়েছেন হঠাত্ জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসা রংপুরের রাঙ্গাঁ। এমনকি তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার তার ওইসব ‘বেসামাল’ মন্তব্যের পর সমালোচনা ও তীব্র ক্ষোভের ঝড় উঠে রাজনীতিকসহ বিভিন্ন মহলে। সেই সঙ্গে দাবি ওঠে রাঙ্গাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার ও জাতির সামনে নিঃশর্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার। কিন্তু রাঙ্গাঁ গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সে কাজটিও করেননি। তবে এদিন তিনি বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তার এই দুঃখ প্রকাশে উদ্ভুত পরিস্থিতির যে সমাধান হচ্ছে না- তা সংসদে জাপা এমপিদের বক্তব্যেই ফুঁটে উঠেছে। ফলে রাঙ্গাঁর পতন অবশ্যম্ভাবী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বাস পরিমহন মালিক সমিতির সভাপতি হিসেবে বিতর্কিত রাঙ্গাঁ ২০০৯ সালের একটি দুর্নীতি মামলায়ও অভিযুক্ত ছিলেন। তবে ১০ম সংসদে সরকারের মন্তিত্ব পদ পাওয়ার সুবাদে সেই মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। আর মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর গত পাঁচ বছরে তার আয় বাড়ে ছয়গুণ। জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ গত রোববার (১০ নভেম্বর) জাপার গণতন্ত্র দিবসের আলোচনা সভায় শহীদ নূর হোসেনকে ‘ইয়াবাখোর’, ‘ফেন্সিডিলখোর’ ও ‘নেশাগ্রস্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন। একই সভায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরশাসক’ বলেও মন্তব্য করেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তার এই অবাঞ্ছিত মন্তব্য নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এসময় জাপার এমপিরা রাঙ্গাঁর বক্তব্যের দায় দল নেবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। অন্য সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে রাঙ্গাঁকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৪ দলও রাঙ্গাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন।

এর আগে শহীদ নূর হোসেনের মা মরিয়ম বিবিও রাঙ্গাঁকে ক্ষমতা চাইতে বলেছেন। অন্যথায় তাকে এমপি পদ থেকে অপসারণের দাবি তুলেছে নূর হোসেনের পরিবার। মা মরিয়ম বিবি এ জন্য রাঙ্গাঁর বিরুদ্ধে মামলা করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শহীদ নূর হোসেনের মা, তিন ভাই, বোন ও মামাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন। এ নিয়ে সরকারের মন্ত্রীরাও কথা বলেছেন। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করলে জনগণ তাকে ক্ষমা করবে না। দুঃখ প্রকাশ করেও এ জন্য রেহাই মিলবে না বলে সতর্ক করেছেন তিনি। কৃষিমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী শহীদ নূর হোসেনকে গণতন্ত্রের জীবন্ত পোস্টার উল্লেখ করে রাঙ্গাঁকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক নূর হোসেনসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করার জের ধরে জাপা মহাসচিবের পদ হারাতে যাচ্ছেন মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ। শুধু তাই নয়, সংসদে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের পদটি নিয়েও কথা উঠেছে। এই পদ থেকেও তাকে অপসারণ করতে স্পিকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগসহ নিজ দল জাপা’র সংসদ সদস্যরাই। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ। তারা বলেন, মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ যে কটূক্তি করেছেন, তা শিষ্টাচার বহির্ভূতই কেবল নয়, এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।

এদিন বিকেলে জাপা চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদেরের সংসদীয় কার্যালয়ে মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এসময় জাপা নেতারা রাঙ্গাঁকে মহাসচিবের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। রাঙ্গাঁর বক্তব্য জাতীয় পার্টির বক্তব্য নয়, বরং তার ব্যক্তিগত বক্তব্য- এ বিষয়টিও জাপা নেতারা স্পষ্ট করেন সংসদে জি এম কাদেরের কার্যালয়ের আলোচনায়। পরে অধিবেশন শুরু হলে জাপা সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ রাঙ্গাঁর বক্তব্যের জন্য জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করেন। একইসঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ওই বক্তব্য রাঙ্গাঁর ব্যক্তিগত, জাতীয় পার্টির দলীয় বক্তব্য নয়। দল রাঙ্গাঁর বক্তব্যের দায় গ্রহণ করবে না। ফিরোজ রশিদ আরও বলেন, ‘এই মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ অশিক্ষিত ছিল। একসময় যুবদল করত। এই সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। কিন্তু একটা কথা সত্য, বানরকে লাই দিলে গাছে ওঠে। রাঙ্গাঁর অবস্থাও তাই।’ সংসদে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই মন্ত্রী আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদও রাঙ্গাঁর কঠোর সমালোচনা করে সংসদে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। এসময় তারাসহ সরকার ও বিরোধী দলীয় এমপিরা স্পিকারের কাছে দাবি জানান, রাঙ্গাঁকে যেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপের পদ থেকে অপসারণ করা হয়। অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনের এক ফাঁকে বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদেরকে নিজের সিট থেকে উঠে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কানে কানে কিছু একটা বলতেও দেখা যায়।

অপরদিকে, রোববারের বক্তব্যে প্রতিবাদে ঝড় ওঠে বিভিন্ন মহলে। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সোমবার (১১ নভেম্বর) নূর হোসেনের পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এসময় নূর হোসেনের মা মরিয়ম বিবি বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে রাঙ্গাঁ যে কথা বলেছে, আমি তার প্রতিবাদ জানাই। রাঙ্গাঁ যে বক্তব্য দিয়েছে, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। তা না হলে আমরা প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

এছাড়া, সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে রাঙ্গাঁকে তার বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এরই মধ্যে রাঙ্গাঁকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দিয়ে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছেন ‍সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

রাঙ্গাঁকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে: রাঙ্গাঁর আপত্তিকর মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ১৪ দলের নেতারাও। তারা বলেছেন, ‘শহীদ নূর হোসেন গণতন্ত্রের প্রতীক। তাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় রাঙ্গাঁকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।’ মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত জাসদের কার্যকরী সভাপতি ম‌ঈন‌উদ্দিন খান বাদলের শোক সভায় এসব কথা বলেন তারা।

মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোজাফ্ফর আহমেদ পল্টু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, তরিকত ফেডারেশনের নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী প্রমুখ।

রাঙ্গাঁর কুশপুতুল দাহ: গণতন্ত্রের আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনকে ‘মাদকাসক্ত’ বলায় জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁকে ‘বেসামাল’ বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনও রাঙ্গাঁর আপত্তিকর মন্তব্যে ফুঁসে উঠেছেন। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও রাঙ্গাঁর কুশপুতুল দাহ করা হয়েছে। তার কুশপুতুল পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ গণঐক্য। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে রাঙ্গাঁ ‘বেসামাল’ বলে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানানো হয়। মানববন্ধনে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় এ দাবি জানান। একই দাবি তুলেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারাও, যারা নব্বইয়ের গণআন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ২০১৪-১৮ সালের সরকারের প্রতিমন্ত্রী রাঙ্গাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে তার জেলা রংপুরেও।

গণতন্ত্রের জীবন্ত পোস্টার নূর হোসেন: ‘শহীদ নূর হোসেন’কে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করে সরকারের মন্ত্রীরা তাকে গণতন্ত্রের জীবন্ত পোস্টার বলে উল্লেখ করেছেন। রাঙ্গাঁর বিরূপ মন্তব্যের জবাবে তারা এ কথা বলেন। মঙ্গলবার সচিবালয়ে আলাদা আলাদা সংবাদ ব্রিফিং-এ সাংবাদিকদের সামনে প্রতিক্রিয়া জানান, কৃষিমন্ত্রি ড. আব্দুর রাজ্জাক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পথ পেরিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন সংগ্রাম করেছে দেশের রাজনীতিকরা। তাদের আন্দোলন আকাঙ্খা কতটা তীব্র ছিলো আর স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জাতি কতটা সোচ্চার ছিলো তার জলন্ত প্রমাণ শহীদ নূর হোসেনের পিঠের লেখা। নূর হোসেনরা এদেশের ইতিহাসের অংশ। মসিউর রহমান রাঙ্গা নুর হোসেনকে নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা খুবই দুঃখজনক। যারা এ মন্তব্য করেন তারা স্বৈরাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলো। একেক দলের মতবাদ ভিন্ন হবে এটা স্বাভাবিক। তবে রাষ্ট্র বা ইতিহাস বিরোধী কথা বললে তার প্রতিবাদ অবশ্যই করা হবে এবং জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রেও এ বোধোদ্বয় হবে বলে আশা করেন কৃষিমন্ত্রী। অন্যদিকে, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আশা করি এ ধরনের ইতিহাস বিরোধী বক্তব্য থেকে শরীক দলগুলোর নেতারা বিরত থাকবেন। প্রসঙ্গত, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদকে হটাতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বামসহ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে ১৯৮৭ সালে ঢাকা অবরোধের কর্মসূচি দিয়েছিল; সেদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন পরিবহন শ্রমিক নূর হোসেন। বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক-গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে সেদিন মিছিলে নেমেছিলেন আওয়ামী লীগকর্মী নূর হোসেন; সেদিন তার আত্মদান এরশাদবিরোধী আন্দোলনে দিয়েছিল নতুন মাত্রা। ১৯৮৭ সালে আন্দোলন নতুন মাত্রা পাওয়ার পর তিন বছরের মাথায় গণঅভ্যুত্থানে ১৯৯০ সালে ক্ষমতা ছাড়তে হয় এরশাদকে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading