‘বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা এ স্তম্ভগুলোই বাংলাদেশ’
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৬ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৫৪
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে গত রবিবার (২৪ নভেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্মরণিকা প্রকাশনা উত্সব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রকাশিত এ প্রকাশনার উত্সবে প্রধান বক্তা ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শাহীন আক্তার রেনী। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা, এ স্তম্ভগুলোই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। জাতীয় চার নেতা বঙ্গবন্ধুর সহচর ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকা- ও ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যাকা- একই সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জাতীয় চার নেতাকে নানা রকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তারা বঙ্গবন্ধুর আদশের্র সঙ্গে বেঈমানী করেনি। তারা দেশকে ভালোবাসতেন। তাই দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন। এসময় জাতীয় চার নেতার অন্যতম এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার শৈশব ও পারিবারিক জীবনের নানা দিক আলোচনা করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়রের পত্নী রেনী। জাতীয় চার নেতার অন্যতম এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার পুত্রবধূ রেনী আরো বলেন, যারা দেশের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলেন, দেশের উন্নতি নিয়ে চিন্তা করেছিলেন, তাদেরকে সে সময় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর নানা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। দেশ দিনের পর দিন উন্নতির দিকে এগুতে থাকলো। শেখ হাসিনা দেশের উন্নতির লক্ষ্যে নারী এবং যুবসমাজকে নিয়ে কাজ করতে শুরু করেছেন। শুধু তাই নয় তিনি দারিদ্র বিমোচন, তরুণ উদ্যোগতা তৈরি, নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এত কিছুর পরেও কোন এক গোষ্ঠী এ ধরণের উন্নতিতে ঈর্ষাণিত হচ্ছে। এরা আগেও ছিল এখনও রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। কিন্তু উন্নতি থেমে থাকবে না।

