মার্কিন আইন ভুল বার্তা দেবে হংকং চীনের ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৯ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪৮
হংকংয়ে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে সমর্থনে জানিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের করা আইনে বিশ্ব ভুল বার্তা পাবে দাবি করেছে হংকং কর্তৃপক্ষ। তারা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই আইনের বিরোধিতা করছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন যা হংকংয়ে চলমান চীনবিরোধী আন্দোলনে গণতন্ত্রীপন্থী বিক্ষোভকারীদেন সমর্থন দেবে। দ্য হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি নামের ওই আইনে বলা হয়, হংকংয়ের স্বায়ত্বশাসন কি বিশেষ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য কি না তা খতিয়ে দেখবে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প বলেন, তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, চীন ও হংকংয়ের নাগরিকদের কথা ভেবে এই আইন করেছেন। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণয়ণের ঘটনায় ‘ক্ষুব্ধ’ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। বেইজিং দাবি করেছে, ‘কঠোর পাল্টা পদক্ষেপ’ গ্রহণ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হংকং ইস্যুতে যদি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইচ্ছেমতো কর্মকাণ্ড’ অব্যাহত তাকে তাহলে ‘কঠোর পাল্টা পদক্ষেপ’ নেওয়া হবে। চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ইউচেং বৃহস্পতিবার দেশটিতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূত টেরি ব্রানস্টাডকে তলব করেছেন। তার কাছে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি ঠেকানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। চীনের দাবি, তারা ‘এক দেশ, দুই নীতি’ ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হংকংয়ের চলমান বিক্ষোভের জন্য বিদেশি শক্তিদের দায়ী করেছে দেশটি। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, এই তথাকথিত আইনটি হংকংসহ চীনের জনগণের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অশুভ উদ্দেশ্য ও আধিপত্যবাদের প্রকৃতি উন্মোচন শক্তিশালী করবে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে। চীনা উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেং জিগুয়াং দাবি করেছেন, এই বিল পাসের মধ্য দিয়ে চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

