শাওমির স্মার্টফোনের বিক্রি কমেছে
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০১ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:২২
আগের তুলনায় এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শাওমি রেকর্ড পরিমাণ ৭.৬৩ বিলিয়ন ডলার বা ৭৬৩ কোটি ডলার আয় করেছে। তবে শাওমির এই আয় যেভাবে হয়েছে তা আরো বেশি আকর্ষণীয়। তৃতীয় প্রান্তিকের এই আয়ের পেছনে কোম্পানিটির ইন্টারনেট অব থিংকস (আইওটি) এবং স্মার্ট হোম ব্যবসা মূল ভূমিকা পালন করেছে, অন্যদিকে স্মার্টফোনের ব্যবসা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। যদিও মোট আয়ের সিংহভাগ অর্থাত্ ৪৫৯ কোটি ডলার আয় এসেছে স্মার্টফোন ব্যবসা থেকে, তবে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় তা ৭.৮ শতাংশ কম। জুলাই-থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শাওমি ৩ কোটি ২৫ লাখ ইউনিট স্মার্টফোন বিক্রি করেছে, যার মাধ্যমে স্মার্টফোনের বাজারে চার নম্বরে অবস্থানে রয়েছে কোম্পানিটি (৯.২ শতাংশ বাজার দখল করেছে, ক্যানালিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী)। শাওমির মোট আয়ের ২২২ কোটি ডলার এসেছে আইওটি ডিভাইস এবং অন্যান্য কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্সের ব্যবসা থেকে। এ খাতে গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় শাওমির প্রবদ্ধি ৪৪.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে স্মার্ট টিভি এবং ল্যাপটপ একাই আয় এনে দিয়েছে ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডলার (গত বছরের একই প্রান্তিকের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৩৬.৫ শতাংশ)। বিশ্বব্যাপী শাওমির ব্যবসা সম্প্রসারণ ভূমিকা রাখছে- তৃতীয় প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক বাজারে ১৭.২ শতাংশ আয় বেড়েছে কোম্পানিটির। এ বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শাওমির নিট মুনাফা ১৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বলতে গেলে এই ১৩০ কোটি ডলার মুনাফা, ২০১৮ সালে শাওমির ১২ মাসের মুনাফার তুলনায় বেশি।

