সোহরাওয়ার্দীর ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩৬
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী
গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৫ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা ও জনগণের সার্বিক কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করবে। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে আরও বলেন, ‘সোহরাওয়ার্দী আমৃত্যু আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের বিকাশসহ ও এতদঞ্চলের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন জাতি তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। তার জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা ও জনগণের সার্বিক কল্যাণে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমার বিশ্বাস।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ব্রিটিশ ভারতে মুসলমানদের সংগঠিত করতে ১৯২৬ সালে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মুসলিম পার্টি এবং ১৯৩৭ সালে ইউনাইটেড মুসলিম পার্টি গঠন করেন।’ তিনি বলেন, ‘১৯৪৯ সালের ২৩ জুন তত্কালীন আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয়ের পেছনেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।’ পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিকাশে সারাজীবন কাজ করেছেন। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে এবং মানুষের কল্যাণ সাধনে এ মহান নেতার জীবন ও আদর্শ আমাদের সর্বদা অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাবে।’ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন প্রতিভাবান সংগঠক হিসেবে তার দক্ষ পরিচালনায় গণমানুষের সংগঠন আওয়ামী লীগ আরো বিকশিত হয়। তার সুযোগ্য উত্তরসূরি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় আমাদের মহান স্বাধীনতা।’

