১৫তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উত্সব
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:২৮
শুরু হয়েছে ১৫তম আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উত্সব। গত শনিবার (৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠানটির উদ্ধোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এম.পি। বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের আয়োজিত সাত দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে বিশ্বের ৪৫টি দেশের নির্মিত অন্তত শতাধিক স্বল্প ও মুক্ত দৈর্ঘ্যে চলচ্চিত্র দেখানো হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা কুমার সাহানী, ইন্ডিয়ার প্রখ্যাত স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার কমল স্বরূপ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উত্সব পরিচালক এন. রাশেদ চৌধুরী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরামের সভাপতি জাহিদুর রহিম অঞ্জন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মূল ভেন্যু কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে ৫টি ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ৩টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। বরাবরের মতো এবারো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ হীরালাল সেন আজীবন সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় বাংলাদেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সংগঠক মোরশেদুল ইসলামকে। প্রতিটি পুরস্কারের সঙ্গে বিজয়ীদের দেয়া হবে প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর ডিজাইনকৃত একটি সুদৃশ্য উত্সব স্মারক ও সার্টিফিকেট। এবারের উত্সব উত্সর্গ করা হয়েছে প্রয়াত স্বাধীন চলচ্চিত্র ধারার অন্যতম গুণী নির্মাতা ও চলচ্চিত্র সম্পাদক সাইদুল আনাম টুটুল, ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ খ্যাত অসংখ্য চলচ্চিত্রের-চিত্রগ্রাহক আনোয়ার হোসেন ও চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ খসরুকে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাড়াও উত্সবের অন্যতম আকর্ষণ আলমগীর কবির স্মারক বক্তৃতা, তিনটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও একটি মাস্টার ক্লাস। উত্সবের দুটি কর্মশালার একটি হবে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভাবনা ও অন্যটি চিত্রনাট্য রচনার সাম্প্রতিক ট্রেন্ড ও আন্তর্জাতিক বিশ্বে চলচ্চিত্রের বিষয়।

