গোল উত্সবে গ্রুপ পর্ব শেষ পিএসজির
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:০৬
গ্রুপের শীর্ষস্থান আগেই নিশ্চিত করা পিএসজি শেষ ম্যাচে মেলে ধরল আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা। জ্বলে উঠলেন তারকাখচিত আক্রমণভাগের সবাই। ঘরের মাঠে গালাতাসারাইকে উড়িয়ে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব শেষ করল টমাস টুখেলের দল। প্রথমার্ধে তিন মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে দলকে সুবিধাজনক অবস্থায় নিয়ে যান মাউরো ইকার্দি ও পাবলো সারাবিয়া। বিরতির পর জালের দেখা পান নেইমার, কিলিয়ান এমবাপে ও এদিনসন কাভানি। ৩২তম মিনিটে ইকার্দির প্রথম গোলে বড় অবদান এমবাপের। নেইমারের ডিফেন্সচেরা পাস ধরে দ্রুত গতিতে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। আগুয়ান গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল বাড়ান ডান দিকে থাকা সতীর্থ ইকার্দিকে। ফাঁকা পোস্টে বল ঠেলতে কোনো ভুল করেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলে এই মৌসুমে ১৫ ম্যাচে ইকার্দির গোল দাঁড়াল ১২টি। ৩৫তম মিনিটে দলের দ্বিতীয় গোলে অবদান নেইমারের। নিজেদের অর্ধ থেকে বল নিয়ে এগিয়ে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে পাস বাড়ান ডান দিকে অরক্ষিত সারাবিয়াকে। কোনাকুনি শটে জাল খুঁজে নেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। বিরতির পর দ্বিতীয় মিনিটে এমবাপের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় ব্যবধান আরও বাড়ান নেইমার। বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ এক ব্যাকহিল করেন এমবাপে। পেছন থেকে ছুটে এসে বল ধরে কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি ৫৫ ম্যাচে তার ৩৩তম গোল। ৬৩তম মিনিটে গোলের দেখা পান এমবাপে। নেইমারের নিখুঁত পাস ধরে প্লেসিং শটে বল জালে জড়ান তরুণ এই ফরোয়ার্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি তার ১৯তম গোল। শেষ দিকে সফল স্পট কিকে বড় জয় নিশ্চিত করেন বদলি ফরোয়ার্ড কাভানি। গালাতাসারাইকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া পিএসজি ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে। গ্রুপের অন্য ম্যাচে একই সময়ে ক্লাব ব্রুগার বিপক্ষে ৩-১ গোলে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ রিয়াল। ব্রুগার পয়েন্ট ৩, গালাতাসারাইয়ের ২। এদিকে, বায়ার্নের হয়ে একটি করে গোল করেন কিংসলে কোমান, থমাস মুলার আর ফিলিপ কুতিনহো। টটেনহ্যামের একমাত্র গোলটি করেন রায়ান সেসেগনন। ছয় ম্যাচের সবকটিতে জেতা বায়ার্নের পয়েন্ট ১৮। গ্রুপ রানার্সআপ টটেনহ্যামের পয়েন্ট ১০।

