বিশাল জয় পেয়ে ফের ক্ষমতায় বরিস, বিচ্ছেদের পক্ষেই ব্রিটিশরা

বিশাল জয় পেয়ে ফের ক্ষমতায় বরিস, বিচ্ছেদের পক্ষেই ব্রিটিশরা

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪০

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন খুবই সাধারণ এক স্লোগানে। আর তা হচ্ছে, ‘ব্রেক্সিট সম্পন্ন কর’ (গেট ব্রেক্সিট ডান)। আর এখন নিরবাচনে জনসনের কনজারভেটিভ দল যে বড় জয় পাচ্ছে তাতে এটি স্পষ্ট যে, ব্রেক্সিটের পক্ষেই সমর্থনের বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়েছে। পারলামেন্টে ব্রেক্সিট নিয়ে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলায় হতাশ হয়ে পড়া ব্রিটেনবাসী এ জট কাটিয়ে দেশকে জানুয়ারির মধ্যেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের করে আনার (ব্রেক্সিট) পক্ষে জনসনকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। এক্ষেত্রে তারা কোনো যদি বা কিন্তুরও অবকাশ রাখেনি- এমনটিই দেখা যাচ্ছে এখন পর্যন্ত পাওয়া ভোটের ফলে। তাই ব্রেক্সিট এখন ঝড় পেরিয়ে বন্দরের আলো দেখছে। জনসন ক্ষমতায় ফিরলেই ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ হওয়া এখন কয়েক সপ্তাহের ব্যাপার মাত্র। পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় এবং এমপিদের বিরোধিতার কারণে এ পর্যন্ত ব্রেক্সিট কার্যকর করতে না পেরে প্রধানমন্ত্রী জনসন আগাম নির্বাচন ডেকেছিলেন। এতে কাজও হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার আগেই জনসনের দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার আভাস নিরভুল বলেই প্রতীয়মান হয়েছে। তার মানে জনসন খুব দ্রুতই ইইউ এর সঙ্গে করা তার ব্রেক্সিট চুক্তি পারলামেন্টে পাস করিয়ে নিতে পারবেন। সেটি খুবই আশাব্যাঞ্জক ব্যাপার। তবে হতাশা যে একেবারে দূর হয়ে গেল তাও নয়। কারণ, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্য বেরিয়ে এলেও অর্থাত্, ব্রেক্সিট সম্পন্ন হলেও এটি কেবল একটি প্রক্রিয়ার সূচনা মাত্র। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হতে যুক্তরাজ্যকে পাড়ি দিতে হবে আরো দীর্ঘ পথ। বাস্তবিকভাবে বলতে গেলে, জনসনের ব্রেক্সিট চুক্তি কার্যকর করাটা কয়েক বছরের একটি লম্বা প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য ব্লক হয়ে ওঠা ইইউ’য়ে যুক্তরাজ্য প্রায় অরধ শতাব্দী ধরে আছে। সেখান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া মানেই জনসনের সামনে থাকবে নতুন নতুন আন্তর্জাতিক চুক্তি করার দুরূহ কাজ। বিশ্বে অর্থনৈতিক দিক থেকে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখা এবং দেশের অখণ্ডতা রক্ষা করার চ্যালেঞ্জও তাকে মোকাবেলা করতে হবে। তার মানে ব্রেক্সিট শেষ হওয়া অনেক দূরের পথ। যুক্তরাজ্যকে ১১ মাসের মধ্যেই ইইউ এর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করার অসাধ্য সাধন করতে হবে এবং পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও আরেকটি বাণিজ্য চুক্তি করতে হবে। এর ওপরই নিরভর করবে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতির ভবিষ্যত্। প্রধানমন্ত্রী জনসনের কনজারভেটিভ দল তাদের নিরবাচনী ইশতেহারে এত গভীরের এ বিষয়গুলো তুলে ধরেনি। একটি বাণিজ্য চুক্তি করতে যেখানে বছরের পর বছর লেগে যায় সেটি জনসন কিভাবে মাত্র ১১ মাসে করবেন সে পরিকল্পনাও দেওয়া হয়নি। প্রচার চালানো হয়েছে হালকার ওপর দিয়ে।

বরিসের বিশাল জয়: স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত ঘোষিত ৬৪৯টি আসনের ফলাফলে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি ৩৬৪টি আসনে জয় পেয়েছে, যা গতবারের চেয়ে ৪৭টি বেশি। আর প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি ৫৯টি আসন খুইয়ে পেয়েছে ২০৩টি আসন। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের ৬৫০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে জয়ের জন্য বরিস জনসনের দলের অন্তত ৩২৬টি আসন প্রয়োজন ছিল। স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে টোরি নেতা জনসনই ডাউনিং স্ট্রিটে থাকছেন। তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী জনসন ভোটের এই ফলাফলকে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের জন্য ‘নতুন শক্তিশালী ম্যান্ডেট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।  অন্যদিকে ব্রিটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন ভোটের এই ফলকে ‘হতাশাজনক’ হিসেবে বর্ণনা করে জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে তিনি আর পার্টির নেতৃত্বে থাকবেন না। ৬৪২টি আসনের ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, সব দলের ভোটের হার বাড়লেও সমর্থন খুইয়েছে কেবল লেবার পার্টি। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ভোট এবার গড়ে ১.২ শতাংশ বেড়েছে, অন্যদিকে লেবারের ভোট গড়ে ৭.৮ শতাংশ কমেছে। ব্রিটেনের তৃতীয বৃহত্ রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটসের ভোটের হার সবচেয়ে বেশি ৪.২ শতাংশ বাড়লেও আসন কমে হয়েছে ১১টি। এ দলের নেতা জো সুইনসন নিজেই পরাজিত হয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জয়ের ফলে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করিয়ে নিতে সক্ষম হবেন বরিস জনসন। পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট নিয়ে সৃষ্ট যে অচলাবস্থার মধ্যে জনসনের প্রধানমন্ত্রিত্ব শুরু হয়েছিল, এবার তার অবসান ঘটবে। রাতভর গণনা শেষে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টিকে ১৯৮৭ সালের পর সবচেয়ে বড় জয়ের সুখবর এনে দিয়েছে গতকাল শুক্রবারের ভোর। আর লেবার পার্টির জন্য এসেছে ১৯৩৫ সালের পর সবচেয়ে খারাপ ফল। বিবিসি লিখেছে, ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় আসছে সোমবার সামান্য রদবদল আসতে পারে সরকারে। আর তারপর আগামী শুক্রবার পার্লামেন্টে এমপিদের সামনে তোলা হবে ব্রেক্সিট বিল। পার্লামেন্টের অনুমোদন পেলে নির্ধারিত ৩১ জানুয়ারিতেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদ ঘটবে। স্কটল্যান্ডে এবারের নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (এসএনপি)। ৫৯টি আসনের মধ্যে ৪৮টিই জিতে নিয়েছে নিকোলা স্টারজিওনের দল, যা গতবারের চেয়ে ১৩টি বেশি।  এবার ৪৫.১ শতাংশ ভোট পড়েছে এসএনপির পক্ষে, যা আগেরবারের চেয়ে ০.৮ শতাংশ বেশি। এসএনপি নেতা নিকোলা স্টারজিওন বলেছেন, ভোটের এই ফল স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার প্রশ্নে দ্বিতীয় গণভোট আয়োজনের পক্ষে একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।

ব্রেক্সিটের পক্ষে জোরালো গণরায়: নির্বাচনের ফলফল জানার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার জন্য তার সরকার নতুন করে শক্তিশালী ম্যান্ডেট পেয়েছে বলেই আভাস মিলছে। পশ্চিম লন্ডনের অক্সব্রিজ আসনে জয়লাভের পর গতকাল শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) জনসন বলেন, ‘এখনকার পর্যায়ে যা দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, কনজারভেটিভ সরকার কেবল ব্রেক্সিট কার্যকর করাই নয় বরং দেশকে একতাবদ্ধ করা এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও নতুন করে শক্তিশালী জনাদেশ পেয়েছে।’ ‘আমি মনে করি এ এক ঐতিহাসিক নিরবাচন হতে চলেছে। যা আমাদেরকে নতুন সরকারে ব্রিটিশ জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খাকে শ্রদ্ধা দেখানো, পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশকে আরো ভালর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দেশের জনগণের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।’ ‘এটাই আমরা এখন করব। আর ভাগ্যক্রমে বুথ ফেরত জরিপের ফলে যে আভাস পাওয়া যাচ্ছে সেইমত আমরা ক্ষমতায় ফিরলে আজ থেকেই কাজ শুরু হবে।’ ক্ষমতায় ফিরে আগামী ৩১ জানুয়ারিতেই ব্রেক্সিট সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু ওই দিনটির পর থেকেই যুক্তরাজ্যের রূপান্তরকাল শুরু হবে। সে সময়ে যুক্তরাজ্যকে আলোচনার মধ্য দিয়ে ২৭টি ইইউ রাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক ঠিক করে নিতে হবে। এখনকার বিধিমালার আওতায় এ প্রক্রিয়া চলতে পারে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু কনজারভেটিভ দল এই রূপান্তরের জন্য ২০২০ সালের বেশি সময় না লাগানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নির্বাচনে। যদিও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় এলে জনসন এ প্রক্রিয়ার জন্য ২০২০ সালের বেশি সময়ও নিতে পারবেন। সে ক্ষমতা তার থাকবে। এখন জনসন তার নতুন রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে কী করেন সেটিই দেখার বিষয়।

‘চমকে দেওয়া’ ফলাফলের নেপথ্যে কী?: ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টির ভূমিধস জয়ে অনেকেই চমকে গেছেন। জেরেমি করবিনের মতো ‘ভাল মানুষ’ ইমেজের নেতার নেতৃত্বে লেবার পার্টির এমন শোচনীয় পরাজয়ের কারণ খুঁজছেন ভোটাররা। এছাড়া লিবারেল-ডেমোক্র্যাটের দলীয় প্রধান জো সুইন্ডন হেরে গেছেন নিজের আস‌নেই। কেন এমনটি হলো, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ইস্যু ছিল ব্রেক্সিট। এই ব্রেক্সিট নীতিই বড় দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ২০১৬ সালের গণভোটে ব্রেক্সিটের পক্ষে ব্রিটিশরা ভোট দিলেও এখন পর্যন্ত ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করতে পারেনি সরকার। ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কার্যকর চুক্তি পাস না হওয়ায় বারবার আটকে যায় প্রক্রিয়াটি। ব্রেক্সিট চুক্তি পাস না হওয়ার বড় কারণ পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকা। থেরেসা মে কিংবা বরিস জনসন, যতবারই প্রস্তাব তুলেছেন ততবারই প্রয়োজনীয় সংখ্যক এমপিদের সমর্থন না থাকায় তা আটকে যায় ১ কোটি ৭৪ লাখ মানুষের গণভোটের রায়। ব্রেক্সিটের বিরোধিতা করেছিলেন গণভোট আয়োজনের সময় ক্ষমতায় থাকা কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। ব্রিটিশ জনগণ ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার রায় দিলে তিনি পদত্যাগ করেন। অন্তর্বতীকালীন দায়িত্ব নিয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের আশায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন ক্যামেরনের স্থলাভিষিক্ত হওয়া থেরেসা মে। তবে ২০১৭ সালের নির্বাচনে কনজারভেটিভরা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি, গঠন হয় থেরেসার নেতৃত্বে জোট সরকার। চুক্তির শর্ত নিয়ে জোট ও বিরোধীদের মত-ভিন্নতার কারণে বিলম্বিত হয় ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন। পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করাতে ব্যর্থ ও দলের নেতাদের আস্থা হারানোর পর পদত্যাগ করেন থেরেসা মে। কনজারভেটিভরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেয় জনসনকে। দায়িত্ব নিয়ে থেরেসা মতোই পার্লামেন্টে নিজের চুক্তি পাস করাতে ব্যর্থ হন তিনি। বাধ্য হয়ে ঘোষণা করেন আগাম নির্বাচন, যাতে করে তার দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

নির্বাচনে ব্রেক্সিটের পক্ষেই প্রচারণা চালিয়ে গেছে কনজারভেটিভ পার্টি। অন্যদিকে লেবার পার্টি বলেছিল, ব্রেক্সিট নয়, আরেকটি গণভোট আয়োজন করবে তারা। শেষ পর্যন্ত লেবার পার্টিও স্বীকার করেছে এই নীতিই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য। দলের চেয়ারম্যান ইয়ান লাভেরি বলেছেন, ‘আমরা দ্বিতীয় ভোট আয়োজন করতে চেয়েছি। কিন্তু এতে করে আগে ভোট দেওয়া ১ কোটি ৭৪ লাখ মানুষের রায়কে খাটো করা হয়েছে। আপনি যদি গণতন্ত্রকে সম্মান না করেন, তবে আপনার এমনই পরিণতি হবে।’ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণেও ব্রেক্সিটকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বরিস জনসন বারবারই ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। বলার চেষ্টা করেছেন, কেন তা যুক্তরাজ্যের জন্য লাভজনক এবং তার কাছে ভালো এক চুক্তি আছে। এছাড়া এই বিষয়ে লেবার পার্টির অবস্থানের অস্পষ্টতার কথা তারা প্রচারণায় বেশ ভালোমতোই তুলে ধরেছে। এছাড়া ব্রিটেনকে অনিশ্চিত ‘থ্রি ডব্লিউ’র দেশ বলা হয়। আর এই ডব্লিউয়ের প্রথমটিই হচ্ছে দেশটির আবহাওয়া বা ওয়েদারের ডব্লিউ। গত বৃহস্পতিবার ভোটের দিন মুষলধারে বৃষ্টি নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠে। সকাল থেকে টানা বৃষ্টির কারণে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার হার প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল। এদিকে, এবারের নির্বাচনে লেবার পার্টি বড় দুঃসময় পার করলেও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চার নারী টিউলিপ সিদ্দিক, রুপা হক, রোশনারা আলী ও আপসানা বেগম জয়ী হয়েছেন। গত নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন তিনজন। অন্যবারের মতো এবারও ব্রিটিশ মন্ত্রিসভায় কোনও বাংলাদেশির ঠাঁই পাওয়া হলো না।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading