ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

ভিকারুননিসা অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৪৮

ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ফৌজিয়ার বিরুদ্ধে রশিদ ছাড়া টাকা আদায়ের অভিযোগ এনেছেন রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়। অভিভাবকরা বলেন, ‘মডেল টেস্ট, পিকনিক ও ব্যবহারিক বাবদ বিভিন্ন অংকের টাকা রশিদ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করছে ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ ফৌজিয়া। নতুন শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভর্তির সময় সরকার নির্ধারিত ফি’র পাশাপাশি আরও বিভিন্ন খাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে রশিদ ছাড়াই মোটা টাকা নেওয়া হচ্ছে।’ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিভাবক ফোরামের সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার রানা। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, ‘অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত বেতন ও ফি ছাড়া অতিরিক্ত টাকা নেওয়া কেবল অনৈতিকই নয়, শান্তিযোগ্য অপরাধও। কিন্তু ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ নিজ স্বাক্ষরে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মডেল টেস্ট বাবদ ২ হাজার ৫০০ টাকা, পিকনিক বাবদ ১ হাজার টাকা, ব্যবহারিক বাবদ ৬০০টাকাসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। এই টাকার বেশি অংশই বিনা রশিদে গ্রহণ করা হচ্ছে।’ তারা আরও বলেন, ‘আদায়কৃত ওই টাকা অধ্যক্ষসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভাগাভাগি করে নেন। আমরা এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও উল্লেখিত টাকা অবিলম্বে নোটিশ দিয়ে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করছি। এছাড়া একই প্রক্রিয়ায় ৫ম শ্রেণি, ৮ম শ্রেণি ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গ্রহণ করেছেন। যার পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি টাকারও বেশি।’ এছাড়া প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয়ের জন্য আর্থিক বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে কমিটি থাকার পরও কমিটির মতামত উপেক্ষা করে বিল পাস করার চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। এসময় তারা ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার মান ফিরিয়ে এনে প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করাসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে নিশ্চিত করতে বেআইনি কার্যক্রম বন্ধের দাবিও জানান। এছাড়াও অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করে কমপক্ষে ৭ দিন ভর্তির সময়সীমা নির্ধারণও করে পুরনো পদ্ধতিতে ভর্তি করার নিয়ম করারও আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading