২১তম জাতীয় সম্মেলন শুরু আজ
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১০:৩৮
আওয়ামী লীগের পথপরিক্রমা বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক ও অভিন্ন এবং বাঙালি জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানে বাঙালি জাতির সংগ্রাম ও গৌরবের ইতিহাস। এ রাজনৈতিক দলটি এদেশের সুদীর্ঘ রাজনীতি এবং বাঙালি জাতির আন্দোলন-সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এ দলটির প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বেই এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। রোজগার্ডেনে জন্মগ্রহণের পর থেকে নানা লড়াই, সংগ্রাম, চড়াই-উত্রাই পেরিয়ে দলটি সর্বাধিক রাষ্ট্র পরিচালনার দয়িত্বপালন করেছে। বর্তমানেও আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতায়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতি পেয়েছে স্বাধীনতা তার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি এসেছে। বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আওয়ামী লীগের এই দীর্ঘ পথ চলায় চড়াই-উত্রাই আছে। অনেক ত্যাগের মহিমা দলটিকে জনগণের দলে পরিণত করেছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, এ দেশের অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল ও তরুণ মুসলিম লীগ নেতাদের উদ্যোগে ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪ জুন পুরনো ঢাকার কেএম দাস লেনের বশির সাহেবের রোজ গার্ডেনের বাসভবনে একটি রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রথম বিরোধীদল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। মুসলিম লীগের প্রগতিশীল নেতা-কর্মীরা সংগঠন থেকে বেড়িয়ে গিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। প্রথম সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রথম কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক। ১৯৬৬ সালের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরে তিনি হয়ে ওঠেন বাঙালির একচ্ছত্র নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির জনক। ’৬৯-এর গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসক-শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বাঙালির যে জাগরণ ও বিজয় সূচিত হয়, সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল আওয়ামী লীগ এবং এই আন্দোলনের পথ ধরেই বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা, ৩ নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর নেতৃত্ব শূন্যতায় পড়ে আওয়ামী লীগ। এর পর দলের মধ্যে ভাঙনও দেখা দেয়। ১৯৮১ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। তার নেতৃত্বে দ্বিধা-বিভক্ত আওয়ামী লীগ আবার ঐক্যবদ্ধ হয়। তিন দশক ধরে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পরিচালিত হচ্ছে। এই সময়ে আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি তিন বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পেরেছে দলটি। আবার ৬৭ বছরের মধ্যে প্রায় ৫০ বছরই আওয়ামী লীগকে থাকতে হয়েছে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের সাড়ে তিন বছর এবং ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৫ বছর, ২০০৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনা করছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর অনেকটা সুসংহত হতে সক্ষম হয়ে জোটসরকার বিরোধী আন্দোলনে সফলতার পরিচয়ও দিয়েছিল দলটি। কিন্তু এই আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নিলে আবারো নতুন সংকটের মুখে পড়ে যায় দলটি। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাসহ প্রথম সারির অসংখ্য নেতারা গ্রেফতার এবং একাংশের সংস্কার তত্পরতায় কিছুটা সংকটে পড়ে দলীয় কার্যক্রম। তবে সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি গঠিত হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। পরে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি-জামায়াত জোটের শত প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে নির্বাচনের বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং তৃতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে এবং শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী হন।
নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর সুখী, সমৃদ্ধ ‘ডিজটাল বাংলাদেশ’ গড়াসহ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে দলটি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহত্ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই এই দলের নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ প্রথম শুরু করেন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন। আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন আজ: আজ, ২০ ডিসেম্বর (শুক্রবার), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলন শুরু হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে আগামী তিনবছরের জন্য দলকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নতুন-পুরনো মুখের সমন্বয়ে নেতৃত্ব উপহার পেতে যাচ্ছে দলটি। আওয়ামী লীগের সম্মেলন মানেই নতুনত্ব ও অভিনবত্বের পরম্পরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। এবার সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনের মূল মঞ্চে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সারিতে আসন পাচ্ছেন দলের উপদেষ্টা পরিষদের চার নেতা। আজ শুক্রবার বাদ জুময়া, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাউন্সিলের উদ্বোধন হবে। আর আগামীকাল শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনিস্টিটিউশনে হবে কাউন্সিল অধিবেশন। বরাবরের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সভাপতি পদে অপরিহার্য ধরে তার নেতৃত্বে পরবর্তী তিন বছরের জন্য নতুন একটি কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সম্মেলনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ক্ষমতাসীন দলটি। সম্মেলন সফল করতে ১১টি উপ-কমিটির নেতারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এবারের সম্মেলনে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি টাকা। সারাদেশ থেকে সাড়ে ৭ হাজার কাউন্সিলর ও ১৫ হাজার ডেলিগেটসসহ ৫০ হাজার নেতাকর্মী সম্মেলনস্থলে উপস্থিত থাকবেন। এ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দলীয় সভানেত্রীর ধানমন্ডির কার্যালয়ে উত্সবের আমেজ বিরাজ করছে। এবার ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে গড়তে সোনার দেশ, এগিয়ে চলেছি দুর্বার, আমরাই তো বাংলাদেশ’ স্লোগানের অঙ্গীকার নিয়ে সম্মেলন হবে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘এবারের প্যান্ডেলটি অনেক বড়। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এত বড় প্যান্ডেলে আর কখনও সম্মেলন আয়োজন হয়নি। আশা করি, ৫০ হাজারের বেশি মানুষ এই প্যান্ডেলের ভেতর বসতে পারবে।’ এছাড়া সম্মেলনের প্রথম দিন শুক্রবার হওয়ার কারণে মুসল্লিদের জুমার নামাজ আদায়ের দিকটি মাথায় রেখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নামাজ পড়ার বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান নানক। প্যান্ডেলের ভেতরে মোট ২৮টি এলইডি পর্দায় দেখানো হবে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পুরো অনুষ্ঠান। দলের নেতা-কর্মীদের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোট গেট থাকবে ৫টি। একটি গেট ভিআইপিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মূল মঞ্চে চারজন উপদেষ্টাসহ দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নেতারা বসবেন। কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের ৮১ সদস্যের মধ্যে চারটি পদ খালি রয়েছে। প্রথম সারির হেড টেবিলে বসবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই সারিতে তাদের পাশে উপদেষ্টা পরিষদের চার সিনিয়র সদস্য এবং সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা বসবেন। এর পেছনে দ্বিতীয় সারিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও চার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বসবেন। তৃতীয় সারিতে সম্পাদকমণ্ডলী ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যরা বসবেন। এবিষয়ে মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মির্জা আজম সারাবাংলাকে বলেন, ‘প্রথম হেড সারিতে দলীয় সভাপতি ও পার্টির জেনারেল সেক্রেটারির পাশে থাকবেন উপদেষ্টাপরিষদের সিনিয়র চার সদস্য। এর পরের আসনে প্রেসিডিয়াম সদস্যসহ কার্যনির্বাহী সংসদের নেতাদের আসন থাকবে।’ মির্জা আজম আরও জানান, ‘কোনো রাজনৈতিক দলের ইতিহাসে এত বিশাল আয়োজন কখনও হয়নি। মূল প্যান্ডেলের ভেতরে ৩০হাজার চেয়ার বসানো হবে। এই বাইরে পাশে আরও দশ হাজার থাকবে। প্যান্ডেলের ভেতরে ভিআইপিদের দুই আড়াই হাজার চেয়ারের আলাদা বসার ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে আমাদের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের বসার ব্যবস্থা থাকবে। জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক; তাদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা থাকবে।’ প্রসঙ্গত, ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলের উপদেষ্টাপরিষদের সদস্যদের জন্য মঞ্চের সামনে সম্মানিত অতিথির আসন নির্দিষ্ট ছিল। কিন্তু দলীয় সভাপতির সিদ্ধান্তে এবার নিজের পাশেই তাদের বসার আসন রাখা হয়েছে। এদিকে গতকাল ১৮ ডিসেম্বর গণভবনে বর্তমান কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের শেষ বৈঠক হয়। বৈঠকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ৪১ থেকে ১০ জন বৃদ্ধি করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এটি পাসের জন্য সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলরদের সামনে উত্থাপন করা হবে। এরপর এটি কাউন্সিলরদের ভোটে পাস হলে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সম্মেলনের শেষ প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি মণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাকসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় কাদের বলেন, ‘২০ ডিসেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং ২১ ডিসেম্বর আমাদের দ্বিতীয় অধিবেশন হবে। দ্বিতীয় অধিবেশনে মূলত আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরা যোগ দেবেন। আমি সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট, বিভিন্ন জেলার সভাপতি সাধারণ সম্পাদকরা তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেবো। গঠনতন্ত্র ঘোষণাপত্রের আপডেট আছে। কিছু সংশোধনীও আছে। এরপর আমাদের এই কমিটি বিলুপ্ত হবে। বিলুপ্ত হওয়ার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন মঞ্চে আসন গ্রহণ করবে এবং সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা আহ্বান করবে। এটাই হচ্ছে ২১ তারিখের আয়োজন।’

