গোলশূন্য এল ক্লাসিকোর ম্যাচ রেকর্ড গড়েছেন রামোস-মেসি
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:১২
গোলশূন্য এল ক্লাসিকোর ম্যাচে নতুন রেকর্ডের চূড়ায় উঠেছেন রিয়াল মাদ্রিদের স্প্যানিশ তারকা সার্জিও রামোস। সর্বোচ্চ এল ক্লাসিকোর ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন রিয়ালের অধিনায়ক রামোস। একই ম্যাচে বার্সেলোনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি ছুঁয়েছেন ক্লাব কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজকে। এতোদিন জাভি-রামোস দুজনই খেলেছিলেন ৪২টি করে এল ক্লাসিকো। গত রাতে বার্সার সাবেক তারকা জাভিকে টপকে যান রামোস। এককভাবে শীর্ষে উঠা এই রিয়াল তারকার নামের পাশে এখন ৪৩টি এল ক্লাসিকো। ৪২টি করে এল ক্লাসিকো খেলেছেন বার্সার জাভি, রিয়ালের ম্যানুয়েল সাঞ্চিস, রিয়ালের ফ্রান্সিসকো জেন্টো। মেসি ছুঁয়েছেন তাদের। গত রাতের ম্যাচটি মেসির জন্য ছিল ৪২তম এল ক্লাসিকো। ৩৯টি এল ক্লাসিকো খেলে মেসিদের পরে আছেন বার্সার আরেক সাবেক তারকা আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। লা লিগায় বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে কাম্প নউয়ে লক্ষ্যে প্রথম শট নেয় রিয়াল। করিম বেনজেমার দুর্বল শট সহজেই নিয়ন্ত্রণে নেন মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। একের পর এক আক্রমণে বার্সেলোনাকে কাঁপিয়ে দেয় জিদানের শিষ্যরা। সপ্তদশ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারতো তারা। কর্নার থেকে কাসেমিরোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে স্বাগতিকদের ত্রাতা জেরার্দ পিকে। ২৫তম মিনিটে বেনজেমার শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন টের স্টেগেন। পরমুহূর্তে ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন কাসেমিরোর দূরপাল্লার শট। খেলার ধারার বিপরীতে ৩১তম মিনিটে সুযোগ এসে যায় বার্সেলোনার সামনে। থিবো কর্তোয়া ঝাঁপিয়ে একটি আক্রমণ কোনোমতে ঠেকালে বল পেয়ে যান মেসি। তার বুলেট গতির শট গোললাইনের সামনে থেকে ফিরিয়ে দেন নিজের ৪৩তম ক্লাসিকোতে খেলা সার্জিও রামোস। দশ মিনিট পর মেসি জাদুতে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায় বার্সেলোনা। অধিনায়কের দুর্দান্ত চিপে জর্দি আলবার শট একটুর জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। ৬০তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে সুযোগ পেয়ে যান মেসি। অঁতোয়ান গ্রিজমানের চমত্কার পাসটা নিয়ন্ত্রণেই নিতে পারেননি তিনি। পরমুহূর্তে লুইস সুয়ারেজের শট ফিরিয়ে দেন রামোস। আট মিনিট পর প্রতি-আক্রমণ থেকে দারুণ সুযোগ আসে গ্যারেথ বেলের সামনে। খুব কাছ থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ওয়েলস ফরোয়ার্ড। চার মিনিট পর ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান কর্তোয়া। ৭২তম মিনিটে বল জালে পাঠিয়েছিলেন বেল। ভিএআরের সহায়তা নিয়ে গোল দেননি রেফারি। দুই মিনিট পর ডি-বক্সের ভেতর থেকে অনেক ওপর দিয়ে মেরে সুযোগ হাতছাড়া করেন সুয়ারেস। শেষের দিকে আনসু ফাতি মাঠে আসার পর গতি বাড়ে বার্সেলোনার আক্রমণে। কিন্তু জালের দেখা পায়নি ভালভেরদের শিষ্যরা। শেষের দিকে রক্ষণাত্মক হয়ে পড়া রিয়াল প্রতি-আক্রমণ থেকেও পায়নি কোনো সাফল্য। ১৭ ম্যাচে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রয়েছে বার্সেলোনা। সমান পয়েন্ট নিয়ে তাদের পরেই রয়েছে স্পেনের সফলতম দল রিয়াল।

