২০ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আপিলেও বহাল

২০ ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আপিলেও বহাল

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন ।১০ ফেব্রুয়ারী ২০২০ । আপডেট ১৯ঃ৪৮

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ২০ জনের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দ এবং তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড পরিচালনার জন্য স্বাধীন পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ইব্রাহিম খালেদকে নিয়োগের আদেশও বহাল থাকছে।

পিকে হালদার ছাড়াও অন্যরা হলেন- কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নুরুল আলম, পরিচালক জহিরুল আলম, এমএ হাশেম, নাসিম আনোয়ার, বাসুদেব ব্যানার্জী, পাপিয়া ব্যানার্জী, মোমতাজ বেগম, নওশেরুল ইসলাম, আনোয়ারুল কবির, প্রকৌশলী নরুজ্জামান, আবুল হাশেম, মো. রাশেদুল হক, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, স্ত্রী সুষ্মিতা সাহা, ভাই প্রিতুষ কুমার হালদার, চাচাতো ভাই অমিতাব অধিকারী, অভিজিৎ অধিকারী, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক পরিচালক ইরফান উদ্দিন আহমেদ এবং পি কে হালদারের বন্ধু উজ্জ্বল কুমার নন্দী।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আপিল আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

এরআগে, গত ২১ জানুয়ারি ওই ২০ জনের ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দ এবং আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এছাড়াও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেড পরিচালনার জন্য স্বাধীন পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ইব্রাহিম খালেদকে নিয়োগ দিয়েছিলেন আদালত।

বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ছাড়াও এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন। এরপর এ আদেশ স্থগিত চেয়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিস লিমিটেডের পক্ষে আপিল করা হয়।

পিকে হালদারের বিরুদ্ধে কিছু কাগুজে প্রতিষ্ঠান তৈরির মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এদিকে দেশব্যাপী ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পিকে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে মামলা করেন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading