মিরাজের ফিল্ডিংয়ে রান আউট টেইলর

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৩ মার্চ ২০২০ । আপডেট ১৮ঃ১০

সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ব্যাট করে তামিম ইকবালের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে ৮ উইকেটে ৩২২ রান করেছে বাংলাদেশ। রান তাড়ায় ১২ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৫৫/২।

মিরাজের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউট টেইলর

খানিক আগে একবার রান আউট হতে হতে বেঁচে গিয়েছিলেন ব্রেন্ডন টেইলর। তবুও ঝুঁকি নিলেন। এবার আর বাঁচলেন না। মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ ফিল্ডিংয়ে ফিরলেন রান আউট হয়ে।

মিড অনের দিকে খেলেই রানের জন্য ছুটেন টেইলর। শর্ট মিড উইকেট থেকে দৌড়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে বাঁ হাতে বল ঠেকিয়ে ডান হাতের নিখুঁত থ্রোয়ে ফেলে দেন বেলস। ২১ বলে দুই চারে ১১ রান করেন টেইলর। ১০ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ৪৯/২। ক্রিজে টিনাশে কামুনহুকামউইর সঙ্গী শন উইলিয়ামস

প্রথম আঘাত শফিউলের

দ্রুতই সাফল্য পেলেন একাদশে ফেরা শফিউল ইসলাম। ফিরিয়ে দিলেন রেজিস চাকাভাকে। অ্যাঙ্গেলে ভেতরে ঢোকা বল ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন চাকাভা। ঠিক মতো পারেননি। কাভারে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমান লিটন দাস।

৪ ওভারে জিম্বাবুয়ের স্কোর ২১/১। ক্রিজে টিনাশে কামুনহুকামউইর সঙ্গী ব্রেন্ডন টেইলর।

আবার রেকর্ড সংগ্রহ

শেষে যে ঝড় প্রত্যাশিত ছিল দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারানোয় সেটা হলো না। তবে তামিম ইকবালের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় লক্ষ্যই দিয়েছে বাংলাদেশ।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে করেছে ৩২২ রান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের সংগ্রহ গড়ল বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৬ উইকেটে করেছিল ৩২১ রান। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে রেকর্ড সংগ্রহ এনে দেওয়া মোহাম্মদ মিঠুন ১৮ বলে অপরাজিত থাকেন ৩২ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩২২/৮ (তামিম ১৫৮, লিটন ৯, শান্ত ৬, মুশফিক ৫৫, মাহমুদউল্লাহ ৪১, মিঠুন ৩২*, মিরাজ ৫, মাশরাফি ১, তাইজুল ০, শফিউল ৫*; মুম্বা ১০-০-৬৪-২, টিশুমা ৫-০-৩৫-১, টিরিপানো ৮-০-৫৫-২, মাধেভেরে ৭-০-৩৮-১, রাজা ১০-০-৫৯-০, উইলিয়ামস ৭-০-৩৫-০, মাটুমবোদজি ৩-০-৩৪-০)

ছক্কার চেষ্টায় ফিরলেন মাশরাফি-তাইজুল

সময়ের দাবি বড় শট। সেই চেষ্টাতেই ফিরলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তাইজুল ইসলাম।ডনাল্ড টিরিপানোর বলে ডিপ মিডউইকেটে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়েন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তাইজুল।

৪৯ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩১৩/৮। ক্রিজে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গী শফিউল ইসলাম।

বোল্ড মিরাজ

দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কার্ল মুম্বার ইয়ার্কারে ফিরেছেন বোল্ড হয়ে। ৬ বলে করেছেন ৫। ৪৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩০৯/৬। ক্রিজে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গী মাশরাফি বিন মুর্তজা।

বাংলাদেশের তিনশ

টানা দ্বিতীয় ম্যাচে তিনশ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। ৪৭তম ওভারে তিনশ ছোঁয়া দলটির সামনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের সেরা সংগ্রহ ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি। আগের ম্যাচে ৬ উইকেটে করা ৩২১ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেরা।

৪৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৩০৬। মোহাম্মদ মিঠুন ২২ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ৫ রানে ব্যাট করছেন।

আগের সেরা ছাড়িয়ে ফিরলেন তামিম
 
আগের ওভারের শেষ বলে ছুঁয়েছিলেন দেড়শ। পরের ওভারের প্রথম বলে কার্ল মুম্বাকে ছক্কা হাঁকিয়ে তামিম ইকবাল ছাড়িয়ে গেলেন নিজের আগের সেরা। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই করেছিলেন ১৫৪। সেটা শুধু তামিম নয়, ওয়ানডেতেই ছিল বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের সেরা।
 
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের আর কারো দেড়শ নেই। তামিমের পর সর্বোচ্চ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিমের ১৪৪।
 
ক্রিস গেইলকে পেছনে ফেলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন তামিম। এরপর অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি। মুম্বাকে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় ধরা পড়েন সীমানায়।
 
১৩৬ বলে ২০ চার ও তিন ছক্কায় ১৫৮ রান করেন তামিম। ৪৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৯৭/৫। ক্রিজে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গী মেহেদী হাসান মিরাজ।

তামিমের দেড়শ

সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পর দ্রুত এগোচ্ছেন তামিম ইকবাল। বাঁহাতি এই ওপেনার ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো ছুঁয়েছেন দেড়শ। আর কারও নেই একবারও। ১৩২ বলে ২০ চার ও দুই ছক্কায় এসেছে তামিমের ১৫০।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে ভাঙল জুটি

আগের বলে কঠিন ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গেলেন তামিম ইকবাল। তার ক্যাচ ছাড়া ওয়েসলি মাধেভেরে ডিপ স্কয়ার লেগে নিলেন মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত এক ক্যাচ। ভাঙল ১০৬ রানের জুটি। অভিষিক্ত চার্লটন টিশুমার বাউন্সারে হুক করেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সীমায় দারুণ ক্যাচ নেন মাধেভেরে। ওয়ানডেতে এটাই টিশুমার প্রথম উইকেট।

৪৩ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৬৩/৪। তামিম ১৪৫ ও মোহাম্মদ মিঠুন ১ রানে ব্যাট করছেন।

তামিম-মাহমুদউল্লাহর শতরানের জুটি

ভালো শুরুর পর হঠাৎ মন্থর হয়ে পড়েছিল জুটি। ৭১ বলে ছুঁয়েছিল ফিফটি। পরের পঞ্চাশ এসেছে কেবল ২৬ বলে। তামিম ইকবালের খুনে ব্যাটিংয়ে ৯৭ বলে একশ ছুঁয়েছে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তার রান।

৪২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৫৫/৩। তামিম ১৩৯ ও মাহমুদউল্লাহ ৪০ রানে ব্যাট করছেন।

মাটুমবোদজির ওপর চড়াও তামিম
 
থমকে যাওয়া রানের চাকায় গতি আনলেন তামিম ইকবাল। যেন ঝড় বয়ে গেল টিনোটেন্ডা মাটুমবোদজির ওপর দিয়ে। লেগ স্পিনারের ওভার থেকে এলো ২৪ রান।
 
প্রথম চার বলে তিন চার ও এক ছক্কায় তামিম নেন ১৮। পরের বলটি ছিল ওয়াইড, ব্যাটসম্যানরা প্রান্ত বদল করেন। পরের বলে চার মারেন মাহমুদউল্লাহ। পরের বলটি খেলেন ডট। ৪০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২৩৯/৩। তামিম ১২৬ ও মাহমুদউল্লাহ ৩৭ রানে ব্যাট করছেন।

তামিম-মাহমুদউল্লাহ জুটিতে পঞ্চাশ

সাবধানী ব্যাটিংয়ে অর্ধশত রানের জুটি গড়েছেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ। চতুর্থ উইকেটে তাদের পঞ্চাশ এসেছে ৭১ বলে। তামিম প্রায় বলে-বলে রান করেছেন, মাহমুদউল্লাহর স্ট্রাইক রেট ৬০ এর আশেপাশে।

৩৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২০৫/৩। তামিম ১০৩ ও মাহমুদউল্লাহ ২৮ রানে ব্যাট করছেন।

২৩ ইনিংস পর তামিমের সেঞ্চুরি

সেই ২০১৮ সালের জুলাইয়ে পেয়েছিলেন তিন অঙ্কের দেখা। এরপর যেন সেঞ্চুরির সঙ্গে আড়ি ছিল তামিম ইকবালের। অবশেষে খরা কাটল। ২৩ ইনিংস পর ওয়ানডেতে দ্বাদশ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

১০৬ বলে তিন অঙ্কে পৌঁছেছেন তামিম। ৪২ বলে ১০ চারে ছুঁয়েছিলেন ফিফটি। পরের পঞ্চাশ এসেছে ৬৪ বলে। এই সময়ে মেরেছেন আরও চারটি বাউন্ডারি। তামিমের সেঞ্চুরির সঙ্গে দুইশ ছুঁয়েছে বাংলাদেশের স্কোর। মঞ্চ প্রস্তুতি, এখন রানের গতি বাড়ানোর সময়।

৩৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ২০০/৩। তামিম ১০১ ও মাহমুদউল্লাহ ২৫ রানে ব্যাট করছেন।

৫ ওভারে কেবল ১১!

হুট করে কমে গেছে রানের গতি। রানের জন্য সংগ্রাম করছেন দুই ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরির সামনে থাকা তামিম যতটা মন্থর তার চেয়ে অনেক বেশি সাবধানী মাহমুদউল্লাহ। ৩১ থেকে ৩৫ এই ৫ ওভারে বাংলাদেশ তুলতে পেরেছে কেবল ১১ রান।

৩৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৯০/৩। তামিম ৯৭ ও মাহমুদউল্লাহ ১৯ রানে ব্যাট করছেন।

তামিমের ৭ হাজার

মাইলফলক থেকে ৮৪ রানে পিছিয়ে থেকে ম্যাচ শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল। ২৭তম ওভারে ডনাল্ড টিরিপানোকে আপার কাট করে বাউন্ডারি মেরে পৌঁছালেন ৭ হাজার রানের মাইলফলকে। বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম ৩, ৫ ও ৬ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছানো বাঁহাতি ওপেনার দেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে গেলেন ৭ হাজারে।

২৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৬০/৩। তামিম ৮৫ ও মাহমুদউল্লাহ ১ রানে ব্যাট করছেন।

ফিফটি করে আউট মুশফিক

দুই অফ স্পিনার এনে তামিম ইকবালকে থামানোর পরিকল্পনা করেছিল জিম্বাবুয়ে। মুশফিকুর রহিমের জন্য কার্যকর হয়নি এই কৌশল। সুইপ, রিভার্স সুইপ, স্কুপ খেলে সফরকারী স্পিনারদের এলোমেলো করে দিয়েছেন মুশফিক।

প্রথম ১৬ বলে ৮ রান করা অভিজ্ঞ এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ৪৭ বলে পৌঁছেছেন পঞ্চাশে। ওয়ানডেতে এটি তার ৩৮তম ফিফটি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অষ্টম।

পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর অবশ্য বেশিদূর যেতে পারেননি। ওয়েসলি মাধেভেরেকে ওড়ানোর চেষ্টায় ধরা পড়েছেন সীমানায়। ভেঙেছে ৮৭ রানের জুটি।

২৬ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১৫৩/৩। ৮০ রান নিয়ে ব্যাট করা তামিমের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

তামিম-মুশফিক জুটিতে পঞ্চাশ

তৃতীয় উইকেটে এসে ম্যাচে নিজেদের প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি পেয়েছে বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের জুটি ফিফটি ছুঁয়েছে ৬১ বলে। জুটিতে অগ্রণী মুশফিক। তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন তামিম।

২১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১২০/২। তামিম ৬৮ বলে ৬৮ ও মুশফিক ৩৪ বলে ৩৬ রানে ব্যাট করছেন।

বাংলাদেশের একশ
 
দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে একটু কমেছে রানের গতি। জুটি গড়ার চেষ্টা করছেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে বাংলাদেশের স্কোর।
 
দুই অফ স্পিনার আক্রমণে আসার পর একটু শান্ত হয়েছেন তামিম। শুরুতে একটু সময় নেওয়া মুশফিক বাড়াচ্ছেন রানের গতি।
 
১৯ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ১০২/২। তামিম ৬৬ ও মুশফিক ২০ রানে ব্যাট করছেন।

তামিমের ফিফটি
 
শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৪২ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করলেন তামিম ইকবাল। ওয়ানডেতে এটি তার ৪৮ তম ফিফটি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দশম।
 
শুরুতে বাড়তি বাউন্স একটু ভুগিয়েছে তামিমকে। সব শটে যে খুব নিয়ন্ত্রণ ছিল, এমন নয়। তবে এদিন শুরু থেকে রানের গতি বাড়ানোর দিকে মনোযোগী এই বাঁহাতি ওপেনার। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পথে মেরেছেন ১০ চার।
 
১১ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৬৬/২। ক্রিজে তামিমের সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

শান্তও রান আউট

লিটন দাসের পর রান আউট হয়ে ফিরলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ওয়েসলি মাধেভেরের বল শর্ট ফাইন লেগে খেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। রানের জন্য তার তেমন ইচ্ছে ছিল না। তবে ছুটেন তামিম ইকবাল। রান নেওয়া সম্ভব ছিল, ফিরে যান শান্ত। ১০ বলে এক চারে করেন ৬।

তামিম ঝড়ে পাওয়ার প্লেতে ৬৫/১

মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচনার মুখে থাকা তামিম ইকবালের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে দ্রুত এগিয়েছে বাংলাদেশ।

১০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৬৫/১। তামিম ৩৮ বলে ১০ চারে খেলছেন ৪৯ রানে। নাজমুল হোসের শান্ত ৮ বলে করেছেন ৬। রান আউট হয়ে ফিরে গেছেন প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস।

আগের ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে ৩১ বলে ১৫ রান করেছিলেন তামিম। বাউন্ডারি ছিল কেবল একটি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাওয়ার প্লেতে হাঁকিয়েছেন ১০টি!

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading