মাস্ক আমদানিতে জালিয়াতি : ভুয়া কাগজপত্র দাখিল
উত্তরদক্ষিণ : সোমবার ০৮ জুন ২০২০ । আপডেট ০১:৪৩
করোনা মহামারিতে যখন মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি তখন অসাধু ও দুর্নীতিবাজেরা এটাকে টাকা কামানোর পন্থা হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে। জেএমআই কোম্পানীর মাস্ক কেলেংকারীর পরে এবার আরেক দুর্নীতির সন্ধান পাওয়া গেছে। কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানিতে ভুয়া কাগজপত্র দাখিলের অভিযোগ উঠেছে এলান করপোরেশনের নামের একটি কোম্পানীর বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে রাজধানীর ২টি থানায় আমিনুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম সহ মামলা হয়েছে। একটি মামলা বনানী থানায়, অপরটি তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দায়ের করা হয়েছে।
গত ২৯ মে বনানী থানায় মামলাটি করেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ফখরুল ইসলাম। মামলায় ৪৬৮, ৪৭১ ও ১৯৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরেকটি মামলা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা আইনে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানির জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে কাগজপত্র জমা দেয় এলান করপোরেশন। ওই কোম্পানি ৫০ হাজার কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানিও করে। আমদানির জন্য লান করপোরেশনের দাখিল করা কাগজপত্র পরীক্ষা করে জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ঔষধ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।
নাম প্রকাশে একটি অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে, এলান করপোরেশনের আমদানি করা কেএন-৯৫ মাস্কগুলো এখনও পরীক্ষা করা হয়নি। সন্দেহ করা হচ্ছে মাস্কগুলো নকল হতে পারে। বিষয়টা পরীক্ষার পর বোঝা যাবে।
এলান করপোরেশনের মালিক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বনানী থানার ওসি নূরে আযম রোববার (০৭ জুন) রাতে গণমাধ্যমকে জানান, ওই মামলার তদন্ত ভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর হচ্ছে। পুরো বিষয়টি এখন সিআইডি তদন্ত করে দেখবে।
তাজুল ইসলাম ও তার গাড়িচালকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলাটির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ওসি মোহাম্মদ আলী।

