ওয়ালটনের আইপিও’র চূড়ান্ত অনুমোদন
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২০ । আপডেট ২১:৫৩
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
পুঁজিবাজারে ওয়ালটনের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা। পুঁজিবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে ওয়ালটন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩টি শেয়ার বাজারে ছেড়ে ওই ১০০ কোটি টাকা তুলতে পারবে।
এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি শেয়ার নিজ নিজ বিডিং মূল্যে উপযুক্ত বিনিয়োগকারীর নামে ইস্যু করা হবে।
গত মার্চের শুরুতে এ শেয়ারের প্রান্তসীমা মূল্য (কাট অফ প্রাইস) নির্ধারণের জন্য বিডিং হয়। সেখানে কাট অফ প্রাইস নির্ধারণ করা হয় ৩১৫ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী, বিডিংয়ে উপযুক্ত বিনিয়োগকারীরা যে মূল্যে যতটি শেয়ার কিনতে চান, তাকে সেই মূল্যেই কিনতে হয়।
আর প্রান্তসীমা মূল্য থেকে ২০ শতাংশ বাট্টায় অর্থাৎ ২৫২ টাকা দরে ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬টি শেয়ার ইস্যু করা হবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য।
আইপিও’র মাধ্যমে সংগৃহিত অর্থ ওয়ালটনের কারখানার সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন, গবেষণা ও মানউন্নয়ন, ব্যাংক লোনের আংশিক দায় পরিশোধ এবং আইপিও খরচ সংকুলানে ব্যয় হবে বলে তারা জানিয়েছে।
৩০ জুন ২০১৯ এর আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা এবং শেয়ার প্রতি মুনাফা ২৮ টাকা ৪২ পয়সা।
এ শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
ও্য়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ২০০৬ সালের ১৭ এপ্রিল প্রাইভেট কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৮ সালের ১৪ মে পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তর হয়।
ওয়ালটন প্রথমে দিকে রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার ও কম্প্রেশার উৎপাদন করতো। এর পাশাপাশি এখন নানা ইলেকট্রিকাল ও ইলেকট্রক্সি পণ্য তৈরি ও সংযোজন করছে কোম্পানিটি।

