‘করোনা সংকটে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে দুই দেশই লাভবান হবে’
উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২০ । আপডেট ১৭:১০
করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগ কোভিড-১৯ সংকটে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বিনিযোগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি উভয় দেশের কল্যাণ নিশ্চিত করার সর্বোত্তম পন্থা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।
সোমবার (২২ জুন) এফআইসিসিআই আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট: স্টেকহোল্ডার্স ইন্টারএ্যাকশন’ বিষয়ক ওয়েবনার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ।
ফাহিম বলেন, এই সংকটের সময়ে এসে আমাদের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ৯ বিলিয়নে এসে দাঁড়িয়েছে। কোভিড-১৯ বাস্তবতার কারণে অর্থনীতি চাঙ্গা করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য যৌথ বিনিয়োগ কৌশলটি উভয় দেশের জন্য লাভজনক হবে। কারণ যেসকল পণ্য ও সেবার কাঁচামাল ভারত থেকে এসে বাংলাদেশে প্রস্তুত হয়ে পুনরায় ভারত সহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে সেসব পণ্য ও সেবা ভ্যালু চেইনেরই একটি অংশ।
তিনি আরও বলেন, যদি পিছিয়ে যাওয়া পেমেন্ট সম্পর্কিত সংশোধিত বিধানটি কার্যকর হয়, তাহলে তা বাংলাদেশে ভারতীয় পণ্য রপ্তানি এবং বাংলাদেশ থেকে ভারত ও ভারতের বাইরে পণ্য রপ্তানিতে যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে দ্বিপক্ষীয় ভ্যালু চেইন উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে তা কাটাতে এবং বিশ্ববাজারের দিকেও নজর দিতে সাহায্য করবে।
বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কেনাকাটা সহজ করতে ভারতীয় ব্যাংকসমূহ থেকে বিলম্বিত এলসি প্রদানের সুবিধা বিলের দিন থেকে আরও ২৪০ দিন বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান তিনি।
শেখ ফজলে ফাহিম বলেন,বাণিজ্যের জন্য সেরা পথ হলো জলপথ, এর পরেই রয়েছে রেলওয়ে। অবশ্যই যাত্রীবাহী যানবাহনের মাধ্যমে যে সকল পণ্য ও পরিষেবাগুলো ইতোমধ্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা যাওয়া করে, সে বিষয়েও যত দ্রুত সম্ভব এই রুটগুলি বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ তার বক্তব্যে বলেন, দুই দেশই পণ্য সরবারহ করার ক্ষেত্রে কতটুকু প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তা যাচাই করার জন্য ভারতীয় রেলওয়ে ও বাংলাদেশ রেলওয়ে একসাথে কাজ করছে। তিনি জানান,ভারত আঞ্চলিক সহযোগিতাটা আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে যাত্রী ও বাণিজ্যিক যানবাহনের উপর শুল্ক কমানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে। খবর বাসস-এর।

