প্রবাসী ‘রেমিটেন্স-যোদ্ধা’দের দুর্দশা লাঘবে দূতাবাসগুলোকে সচেষ্ট থাতে হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২০ । আপডেট ২২:৫৯
মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্দশা লাঘবে সচেষ্ট থাকতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মিশন ও দুতাবাসগুলোর প্রধানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। প্রবাসী শ্রমিকদেরকে তিনি ‘রেমিটেন্স-যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মধ্যপ্রাচ্যের ৯টি দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশন-প্রধানদের সাথে ভিডিও কনফারেন্সে এ আহবান জানান তিনি।

কাতার, কুয়েত, সৌদিআরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, লেবানন, ওমান, ইরাক এবং জর্ডানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধানগণ এ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন।
ভিডিও কনফারেন্সে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন সংযুক্ত ছিলেন।
বর্তমান করোনা মহামারির সময়কে একটি বড় যুদ্ধ পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ সময় প্রবাসী রেমিটেন্স-যোদ্ধাদের কেউ যেন অভুক্ত না থাকে সেটা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রদূতগণকে সচেষ্ট থাকতে নির্দেশনা দেন।
ড. মোমেন বলেন, বালাদেশের কৃষি শ্রমিকরা অত্যন্ত দক্ষ। তিনি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য কৃষি উৎপাদন, মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকল্প শ্রমবাজার অনুসন্ধানে রাষ্ট্রদূতগণকে সক্রিয় থাকতে নির্দেশনা প্রদান করেন। করোনা পরবর্তী পৃথিবীর খাদ্য চাহিদা পুরণে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কৃষিকাজে বাংলাদেশের শ্রমিকরা অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, কোয়ারেন্টাইন সুবিধা নিশ্চিত করে প্রবাসীদের কেউ দেশে ফিরতে চাইলে তাদেরকে ধাপে ধাপে দেশে ফেরত আনা হবে।
ড. মোমেন সকল বৈদেশিক মিশনকে আরো আন্তরিকতার সাথে কনস্যুলার সেবা প্রদান করার আহবান জানান।
মিশনসমূহে বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে বলে এ সময় রাষ্ট্রদূতগণ অবহিত করেন।

