ত্রাণ আত্মসাত: ৯৪ জনপ্রতিনিধির বিষয়ে অনুসন্ধানে নামছে দুদক
উত্তরদক্ষিণ । শনিবার ২৭ জুন ২০২০ । আপডেট ১৮:৫০
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থসহ ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে, এমন ৯৪ জন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। কমিশনের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেলের নেতৃত্বাধীন যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের দুর্নীতি বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয় বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।
শনিবার (২৭ জুন) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে বলেন, যাদের বিরুদ্ধে ত্রাণ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩০ জন ইউপি চেয়ারম্যান এবং ৬৪ জন মেম্বার (সদস্য)। ওই ৯৪ জনকে ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বলেও জানান দুদকের মুখপাত্র প্রনব কুমার।
তাদের বিরুদ্ধে সরকারি ত্রাণ আত্মসাত, ভুয়া মাস্টাররোলের মাধ্যমে সরকারি চাল আত্মসাত, সরকারি ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণ না করে কালোবাজারে বিক্রি, জেলেদের ভিজিএফের চাল আত্মসাত, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম, উপকারভোগীদের ভুয়া তালিকা প্রণয়ন করে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের মতো অভিযোগ রয়েছে বলে বলে প্রনব জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে কমিশন সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ২১টি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় অনেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। মামলাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে।

